ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিরসন এবং ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিলের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম। দাবির পক্ষে দেওয়া হয়েছে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম—যা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাচলের বিষয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

নারী শিক্ষার্থীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। তাদের বক্তব্য, ক্যাম্পাসে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের যে বাস্তবতা রয়েছে, তা নিরসন করতে হবে এবং ‘সান্ধ্য আইন’–এর মতো বাধা কার্যকরভাবে তুলে দিতে হবে।
৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম
এই দাবি মেনে নিতে প্রশাসনের কাছে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ প্রত্যাশার বিষয়টি স্পষ্ট করে স্মারকলিপিতে জোর দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরাও বিষয়টি কাছ থেকে দেখছেন—কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে পড়াশোনার দৈনন্দিন পরিবেশে প্রভাব পড়ে।
লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিরসনের দাবি
স্মারকলিপিতে শুধু ‘সান্ধ্য আইন’ নয়, ক্যাম্পাসে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমানোর কথাও এসেছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, নিয়মকানুন এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে কেউ নিরাপত্তা বা চলাচলের ক্ষেত্রে আলাদা আচরণের শিকার না হয়।
এবার সিদ্ধান্তে প্রশাসনের ভূমিকা
আলটিমেটামের এই সময়সীমার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন প্রধান প্রশ্ন। দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে ক্যাম্পাসজুড়ে নিরাপত্তাবোধ, চলাচলের স্বাধীনতা এবং সমান অধিকারের পরিবেশ শক্ত হতে পারে। আর সিদ্ধান্তে দেরি হলে তা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও জোরালো হতে পারে বলেই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রশ্নোত্তর
‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল চাওয়ার কারণ কী?
ক্যাম্পাসে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিরসন এবং চলাচলে বাধা কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।
কে স্মারকলিপি দিয়েছে?
নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।
আলটিমেটাম কত ঘণ্টার?
৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









