চুয়েটের ভিসি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতাকে বাস্তব কাজে যুক্ত করাই হবে এই লক্ষ্য অর্জনের পথ।
ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা

বক্তৃতায় ভিসি জোর দেন, শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ শেষ করবে না; অর্জিত জ্ঞানকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। সম্ভাবনাকে কাজে রূপ দেওয়াই হবে তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
কাজের সঙ্গে শেখা—এটাই প্রত্যাশা
এদিকে তিনি বলেন, শিক্ষা হবে বাস্তবমুখী। গবেষণা, উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করতে পারলেই শিক্ষার্থীদের মেধা দেশকে এগিয়ে নেবে।
নতুন বাংলাদেশ মানে সমন্বিত প্রচেষ্টা
ভিসি আরও জানান, লক্ষ্য এক হলেও পথচলাটা সমন্বিত হওয়া দরকার। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোগ নিলে দেশের সামনের বাধাগুলো দ্রুত কমানো সম্ভব।
প্রবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য বার্তা
এই বক্তব্য প্রবাসী পরিবারগুলোর কাছেও তাৎপর্যপূর্ণ। বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও দক্ষতা অর্জনের যে প্রচেষ্টা—সেটা দেশজুড়ে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হলে সবারই ভবিষ্যৎ নিরাপদ হয়।
সব মিলিয়ে চুয়েটের ভিসির কথায় উঠে এসেছে একটাই বার্তা—শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলেই নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ ত্বরান্বিত হবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: ভিসি মূলত কী বলেছেন?
উত্তর: শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় ভূমিকার কথা বলেছেন।
প্রশ্ন: বার্তাটা শিক্ষার্থীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: কারণ এটি শেখাকে বাস্তব কাজে যুক্ত করার দিকেই জোর দেয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









