কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তরুণের মরদেহ স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় পতাকা বৈঠকের পর ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে।
পতাকা বৈঠকের পর মরদেহ হস্তান্তর

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির পতাকা বৈঠকের পর মরদেহ হস্তান্তরের কাজ এগোয়। নিহতের বড়ভাই রাজু মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, দুই দেশের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপরই নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে দেওয়া হয়।
ঘটনার পটভূমি
এর আগে ৮ আগস্ট দিবাগত রাতে তারা মিয়াসহ ৪-৫ জন বাংলাদেশি যুবক অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। ওই সময় বিএসএফের টহল দল তাদের গতিরোধ করার চেষ্টা করে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে একপর্যায়ে গুলি চালানো হয় এবং ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন। সঙ্গে থাকা বাকিরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।
প্রবাসী পরিবারের নিরাপত্তা প্রশ্ন
সীমান্ত পাড়ি দেওয়া বা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ঝুঁকি পরিবারের জন্যও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। মরদেহ ফেরত পাওয়ার মধ্য দিয়েই প্রমাণ মিলল—আইনি পথে চলাই নিরাপদ, আর অনিশ্চয়তা কমিয়ে আনাই পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার ভিত্তি।
সংক্ষেপে জেনে নিন
কোথায় মরদেহ হস্তান্তর হলো? চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকা শেষে কুলাউড়া থানার কাছে।
কারা হস্তান্তর করল? ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে।
পরিবার পেল কীভাবে? দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









