জুলাই মাসে প্রবাসী আয়ের তালিকায় সৌদি আরব এগিয়ে আছে—এবার শীর্ষ অবস্থানটি দেশটির দখলে। যুক্তরাজ্য রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে।
প্রবাসী আয় মানে যে অর্থ দেশে পাঠানো হয়, সেটার ধারাবাহিকতা পরিবারের খরচ, সঞ্চয়, ঋণ পরিশোধ—সব দিকেই প্রভাব ফেলে। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত অনেক বাংলাদেশির জন্য রেমিট্যান্সের এই ধারা সরাসরি অর্থনীতির গতি বোঝার একটি ইঙ্গিত।
জুলাইয়ে সৌদি আরবের শীর্ষ অবস্থান

তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে সেরা দেশ হিসেবে সৌদি আরব উঠে এসেছে। ফলে, কর্মী-প্রেরণ ও অর্থ পাঠানোর প্রবাহে দেশটির ভূমিকা আরও স্পষ্ট হয়।
দ্বিতীয় স্থানে যুক্তরাজ্য
তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য। এটি দেখায়, প্রবাসী আয় শুধু একটি অঞ্চল বা দেশকেন্দ্রিক নয়; বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ধারাবাহিকভাবে অর্থ দেশে আসছে।
প্রবাসীদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব
প্রবাসী আয় শক্তিশালী হলে দেশে পরিবারগুলোর নগদ প্রবাহও তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সময়মতো পৌঁছালে দৈনন্দিন খরচ সামলানো সহজ হয় এবং বড় পরিকল্পনা—শিক্ষা, চিকিৎসা বা বাসা বদল—করাও বাস্তবসম্মত হয়।
রেমিট্যান্স প্রবাহ কেন নজর দেওয়ার বিষয়
প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতির একটি বড় চালিকা শক্তি। তাই কোন গন্তব্য এগিয়ে থাকছে, সেটি জানতে পারলে প্রবাসী কর্মসংস্থান ও অর্থ পাঠানোর প্রবণতা সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায়।
সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্য—এই দুই গন্তব্যে অর্থ পাঠানোর ধারা বুঝতে পারা মানে, প্রবাসী জীবনের সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সম্পর্কটা হাতের কাছেই ধরা।
প্রশ্ন-উত্তর
এই তথ্য কোন মাসের?
জুলাই মাসের প্রবাসী আয়ের অবস্থান।
শীর্ষে কোন দেশ?
সৌদি আরব শীর্ষে আছে।
দ্বিতীয় স্থানে কোন দেশ?
যুক্তরাজ্য দ্বিতীয় স্থানে আছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









