GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / বিমান নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় ক্যাট্রাক বৈঠক

বিমান নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় ক্যাট্রাক বৈঠক

বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশি ও সাইবার নিরাপত্তা নির্দেশনার প্রতীকী চিত্র

বেসামরিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘বিমান নিরাপত্তা’ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরালো করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বেবিচকের সদর দপ্তরে ক্যাট্রাকের দ্বিতীয় সভায় বর্তমান ও উদীয়মান ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়।

বেবিচকে ক্যাট্রাকের দ্বিতীয় সভা

বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশি ও সাইবার নিরাপত্তা নির্দেশনার প্রতীকী চিত্র

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন ক্যাট্রাকের সভাপতি ও বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

কাদের অংশগ্রহণে বৈঠক

সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বেবিচক, বিমানবাহিনীর আকাশ গোয়েন্দা ইউনিট, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর এবং পুলিশের বিশেষ শাখার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সন্ত্রাস থেকে ড্রোন—সব ধরনের ঝুঁকি ধরেই পরিকল্পনা

সভায় বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদ, সাইবার ঝুঁকি, অভ্যন্তরীণ হুমকি, বিস্ফোরক ও উন্নত বিস্ফোরক যন্ত্র এবং ড্রোন হামলাসহ নানা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল খাত। তাই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব

সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় বিমানবন্দরের সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে। ফিশিং, পাসওয়ার্ড চুরি, অননুমোদিত প্রবেশ এবং যাত্রী ও ফ্লাইটসংক্রান্ত তথ্য চুরি প্রতিরোধে বেবিচকের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচি ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সাইবার নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানানো হয়। সাইবার নিরাপত্তা নির্দেশনা জারির উদ্যোগও রয়েছে।

নিরীক্ষা, তথ্য বিনিময় ও পরবর্তী সভা

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ই-গভর্নমেন্ট সিআইআরটির সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা নিরীক্ষার জন্য সমঝোতা স্মারক সম্পন্ন হয়েছে। আরও বলা হয়, বিমানবন্দরের উচ্চ ঝুঁকির তালিকা প্রণয়ন এবং বিমান তল্লাশির প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে সময়োপযোগী গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন—এ কথা উল্লেখ করে বেবিচক চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। ক্যাট্রাকের পরবর্তী সভা ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য মানে কী? বিমানযাত্রা করেন এমন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই ধরনের সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সরাসরি ভরসার বিষয়। সাইবার ঝুঁকি কমলে যাত্রী তথ্য ও ফ্লাইট-সম্পর্কিত তথ্য সুরক্ষিত থাকে—যাত্রা আরও নিরাপদ হয়।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

কোন সংস্থার সভা হলো? ক্যাট্রাকের দ্বিতীয় সভা বেবিচকের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেল কোন বিষয়? বিমানবন্দরের সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।

পরবর্তী সভা কবে হতে পারে? ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী সভা আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons