কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের নামে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী আরিফুল ইসলাম শিমুল জানান, আলী আকবর ডেইল মৌজায় তার ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া ০.৪৪ শতক জমির ভূমি উন্নয়ন কর দিতে তিনি বড়ঘোপ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান।
তবে সেখানে তার কাছে শুরুতে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন।
পরে কয়েক দফা অফিসে যাতায়াতের পর ওই কর্মকর্তা তাকে বলেন, ‘আমি যা পারি ভূমিকর দিয়ে দেব, আমাকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে।’
২০ হাজার টাকা নিয়ে দেওয়া হয় ৪ হাজার ৭৮৯ টাকার রসিদ
শিমুলের অভিযোগ, তিনি কর্মকর্তাকে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার পর মাত্র ৪ হাজার ৭৮৯ টাকার ভূমি করের রসিদ পান।
করের রসিদ অনুযায়ী, আলী আকবর ডেইল মৌজার ৪০২ নম্বর খতিয়ানের ৭৮০, ১১৯৮ ও ১১৮৩ নম্বর দাগের জমির তিন বছরের বকেয়া কর হিসেবে ৪ হাজার ৭৮৯ টাকা পরিশোধ দেখানো হয়েছে।
অভিযোগকারী দাবি করেন, তার দেওয়া পুরো টাকা ভূমি কর হিসেবে পরিশোধ করা হলে প্রায় ১২ বছরের কর দেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু তা না করে মাত্র তিন বছরের কর পরিশোধ দেখানো হয়েছে।
কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ
শিমুলের দাবি, শুধু ভূমি উন্নয়ন কর নয়, বড়ঘোপ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন সেবা নিতে গেলেও তাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব দেননি।
প্রশাসনের বক্তব্য
কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভূমি কর অনলাইনে আদায় করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউএনও ও এসিল্যান্ডের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।
Meta Description
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ভূমি করের নামে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীকে দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৭৮৯ টাকার করের রসিদ।







