GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল, ৩ দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি

বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল, ৩ দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি

ভয়াবহ বন্যার পর ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়েছে নেপাল।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতির জন্য এই ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর অববাহিকায় আকস্মিক বন্যা হয়।

হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পানি নেমে আসে।

এর সঙ্গে পাথর ও ধ্বংসাবশেষও নেমে আসে।

এতে নেপালের অন্তত তিনটি জেলার গ্রাম প্লাবিত হয়

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১০০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বিষয়টিকে শুধু ত্রাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

তার মতে, বিষয়টি নৈতিক দায় ও ক্ষতিপূরণের

নেপাল এখন কূটনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে।

দেশটি সহায়তার বদলে ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি তুলছে।

খানালের দাবি, বৈশ্বিক উষ্ণায়নে নেপালের অবদান খুবই কম।

তবু দেশটি জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাবের মুখে পড়েছে।

হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়াকে তিনি এর অন্যতম কারণ বলেছেন।

খানাল বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়ের কথা বলেছেন।

তিনি চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কথা উল্লেখ করেছেন।

তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এসব দেশের দায়িত্ব।

তিনি এটিকে দাতব্য বিষয় নয় বলে উল্লেখ করেছেন

তার মতে, এটি আইনি ও নৈতিক দায়বদ্ধতার বিষয়।

নেপাল আন্তর্জাতিক ফোরামেও বিষয়টি আরও জোরালোভাবে তুলবে।

হিমবাহ গলে যাওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার পানির নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে

খানাল গঙ্গা ও ত্রিশূলী নদীর কথা উল্লেখ করেছেন।

তার দাবি, হিমবাহ বিলীন হলে দক্ষিণ এশিয়ার ২০০ কোটির বেশি মানুষের পানির নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে।

নেপালের অর্থ মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের চিঠি দিয়েছে।

চিঠিতে জলবায়ু ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।

নেপাল ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিলের কাছেও জরুরি সহায়তা চেয়েছে।

বন্যার কারণে ব্যাপক প্রাণহানির কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বন্যায় বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন

ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ হিসাব এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিক হিসাবে ক্ষতির মাত্রা নেপালের তাৎক্ষণিক সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

এদিকে জলবায়ু ন্যায্যতার প্রশ্নে ভারতেরও অবস্থান রয়েছে।

ভারত উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণের দায়ের কথা বলে আসছে।

দেশটি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে সমর্থন করে।

Social Icons