GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / খেলা / ইমাম-রিজওয়ানের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা, ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিষেধাজ্ঞার মুখে

ইমাম-রিজওয়ানের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা, ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিষেধাজ্ঞার মুখে

ইমাম-রিজওয়ানের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা, ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিষেধাজ্ঞার মুখে

ঘোর দুঃসময় যাচ্ছে পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকের। ইংল্যান্ড সফর থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর এবার ঘরোয়া ক্রিকেটেও খেলতে পারছেন না তারা। বিভাগীয় দলের ফিটনেস টেস্টে অংশ না নেওয়ায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের দরজা আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে দুই ক্রিকেটারের জন্য।

ইংল্যান্ড সফর থেকে রিজওয়ান ও ইমামসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। এরপর তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং জাতীয় সাইবার অপরাধ তদন্ত সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়।

এর মধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার ক্ষেত্রেও নতুন জটিলতায় পড়লেন পাকিস্তানের এই দুই ক্রিকেটার।

ফিটনেস টেস্টে অংশ নেননি

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের জন্য ফিটনেস টেস্টে অংশ নেওয়া এবং এর প্রতিবেদন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

কিন্তু মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হক তাদের নিজ নিজ বিভাগীয় দলের সঙ্গে নির্ধারিত ফিটনেস টেস্টে অংশ নেননি।

ফলে নিয়ম অনুযায়ী পাকিস্তানের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলতে পারবেন না তারা।

মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা

পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ান ও ইমামের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করছে দেশটির জাতীয় সাইবার অপরাধ তদন্ত সংস্থা (এনসিসিআইএ)।

মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দুই ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করেছিল। পরে ফোন দুটি এনসিসিআইএর কাছে জমা দেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি দুই ক্রিকেটার

জিও নিউজ জানিয়েছে, একটি তদন্তের স্বার্থে রিজওয়ান ও ইমামকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনসিসিআইএ।

এ ছাড়া আরও একজন ক্রিকেটারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তের বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সন্দেহ

কেন ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে পিসিবি বা এনসিসিআইএ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে রিজওয়ান ও ইমামের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। তদন্তের ফলাফল সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

Social Icons