২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম বক্তব্য। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহি, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় তুলে ধরা হবে।
রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান
ভাষণে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট বিশেষ গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের আয়োজনে একটি সাইড ইভেন্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, সম্মানজনক ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরবে বাংলাদেশ।
জলবায়ু পরিবর্তনেও গুরুত্ব
প্রধানমন্ত্রীর সফরে জলবায়ু পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে থাকছে। জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকেও তিনি অংশ নেবেন।
আরও যেসব বিষয় উঠে আসবে
সাধারণ পরিষদের ভাষণে টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, তরুণ ও নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবহার এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয়ও গুরুত্ব পাবে।
প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক একটি সাইড ইভেন্টেও বক্তব্য দেবেন বলে জানানো হয়েছে।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ
সফরের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউনপ্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার পর ২৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে
