আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। তবে ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করতে ১৭ অক্টোবর শনিবার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর অর্থাৎ মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি থাকবে।
তবে এ ছুটি সমন্বয়ের জন্য ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস-আদালত ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ছুটি পাবেন না যারা
প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু জরুরি সেবাকে ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এ ছুটি পাবেন না।
এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক বিভাগের কার্যক্রমও স্বাভাবিক থাকবে। এসব জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন ও কর্মীরাও ছুটির বাইরে থাকবেন।
হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই ছুটি প্রযোজ্য হবে না। চিকিৎসক ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন।
ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। জরুরি কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অফিসগুলোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
ব্যাংক ও আদালতের বিষয়ে আলাদা নির্দেশনা
ছুটির সময় ব্যাংকিং কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে সুপ্রিম কোর্ট।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটির নিয়ম
বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
অর্থাৎ দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি ঘোষণা হলেও সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ও কর্মীর ক্ষেত্রে একইভাবে ছুটি কার্যকর হবে না। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলো স্বাভাবিক রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।









