GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করছে। দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে আরও সহায়তা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে যেসব বিষয় আলোচনা

অর্থমন্ত্রী জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের ঋণ ব্যবস্থাপনা, মার্কিন সহায়তা এবং দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিম ব্যাংক ও সহায়তাসংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাংলাদেশ প্রত্যাশা অনুযায়ী সহায়তা পায়নি। তবে বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়েছে এবং বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছে।

তার মতে, আমদানি বৃদ্ধি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জন্য আরও সহায়তা আসা উচিত। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে কী পরিমাণ সহায়তা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা

সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এবং যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ কারণে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করতে চায় বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে আমির খসরু আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ এ পথে এগিয়ে যেতে পারবে।

আমদানি ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য প্রসঙ্গ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ, তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব বাণিজ্যিক লেনদেন দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলছে।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের কাছে বাংলাদেশের প্রত্যাশার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ যখন দেশটি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য আমদানি করছে এবং দুই দেশের সম্পর্কও এগিয়েছে, তখন প্রত্যাশিত সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত সময় এসেছে বলে মনে করে সরকার।

অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে একমত হয়েছে। এখন প্রত্যাশিত সহায়তা বাস্তবে কতটা এবং কীভাবে পাওয়া যায়, সেটিই দেখার বিষয়।

সূত্র: বাসস

Social Icons