ভাইরাল মেসেঞ্জার চ্যাটের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ার পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তির এক নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক মেসেঞ্জারের কথোপকথনের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত আসে।
ভাইরাল চ্যাট, তারপর অব্যাহতি

জাতীয় ছাত্রশক্তির শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক নেতাকে সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
স্ক্রিনশট ছড়ায়, সমালোচনা তীব্র হয়
‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (পুসাব)’ নামের একটি ফেসবুক পেজে মেসেঞ্জারের কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কিশোরী ও নারী শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে আপত্তিকর ও অশ্লীল মন্তব্যসহ গুরুতর প্রসঙ্গ টেনে কথাবার্তা বলার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অস্বীকার, সময়ের প্রসঙ্গ
অব্যাহতি পাওয়া নেতা নিজের ভাষায় জানিয়েছেন, ভাইরাল হওয়া চ্যাটের স্ক্রিনশটটি সত্য। তবে তিনি বলছেন, কথোপকথনের বিষয়টি এক বছর আগের এবং কথাগুলো খালাতো ভাইয়ের কথার সঙ্গে সম্পৃক্ত—ভাইরাল করা উদ্দেশ্য নিয়ে তার বক্তব্যে মিল নেই। তিনি আরও জানান, বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি মনে করেন।
সংগঠনের তদন্তের আশ্বাস
ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে পদ থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত হলেও তদন্তের আগে বিষয়টি দেখা হবে বলে নেতার বক্তব্যে উঠে আসে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বলেছে, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি। তবে স্ক্রিনশট ভাইরাল হওয়ার পর ওই ব্যক্তি প্রক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপত্তা চেয়েছেন—অভিযোগ এলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান প্রক্টর।
প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
প্রবাসে থাকা অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথোপকথনের স্ক্রিনশট দ্রুত ভাইরাল হয়ে ব্যক্তিজীবন ও পড়াশোনার ক্ষতি ডেকে আনতে দেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্তের ভেতর দিয়ে দায়িত্বশীলতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে চলে আসে—যা ভবিষ্যৎ সামাজিক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।
যাদের প্রশ্ন—দ্রুত উত্তর
অব্যাহতি মানে কি স্থায়ী সিদ্ধান্ত?
সংগঠনের পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে পদ থেকে অব্যাহতি বলা হলেও তদন্তের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
ভাইরাল স্ক্রিনশটগুলো কার কথোপকথন?
সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাল কথোপকথনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক নেতা অব্যাহতি পেয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে কি অভিযোগ এসেছে?
প্রক্টরের বক্তব্যে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি; তবে নিরাপত্তা চেয়ে যোগাযোগের বিষয়টি আছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









