GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / বিশ্বকাপে মেসিদের হার, ক্ষমতার খেলায় বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপে মেসিদের হার, ক্ষমতার খেলায় বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপ রাজনীতি প্রসঙ্গে ফুটবল ও আর্থিক আধিপত্যের প্রতীকী ছবি

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ। ট্রফি উঠেছে নতুন চ্যাম্পিয়নের হাতে। কিন্তু পর্দার ওপরে জয়-উল্লাস থামলেও, মাঠের বাইরের প্রশ্নটা আরও জোরালো হয়ে ফেরে—বিশ্বকাপ রাজনীতি আসলে কার স্বার্থে চলে।

ফাইনালের পরও কেন থামে না প্রশ্ন

বিশ্বকাপ রাজনীতি প্রসঙ্গে ফুটবল ও আর্থিক আধিপত্যের প্রতীকী ছবি

প্রতিটি বিশ্বকাপই যেন শুধু খেলার গল্প লিখে না, ইতিহাসের পুরোনো হিসাবও মনে করিয়ে দেয়। প্রথম পর্বের ধারাবাহিকতায় আলোচনায় এসেছে—ফুটবলের ইতিহাসে বারবার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের নজির দেখা গেছে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে মুসোলিনির ইতালির মতো উদাহরণ, ১৯৭৮ সালে ভিদেলার আর্জেন্টিনার প্রসঙ্গ, ১৯৮২ সালে স্পেনে কুয়েতের রাজপরিবারের মাঠে নামা—সবকিছুই এক প্রশ্ন দাঁড় করায়। ফুটবলের মাঠ কি সত্যি রাজনীতির বাইরে?

খেলা নয়, আবেগ আর বিনোদনের ব্যবস্থাপনা

আলোচনার কেন্দ্রে আসে ক্ষমতার ভাষা। প্রশ্ন করা হয়—বিশ্বকাপে কার স্বার্থ রক্ষা হয়? যারা সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের কাছেই পৌঁছে যায় না সাধারণ দর্শকের টানাপোড়েন। ধারণাটি একেবারে পরিষ্কার: শক্তিশালী অংশ নিয়ন্ত্রণ রাখে আবেগ, উৎসব ও বিনোদনের হাত ধরে। বিশ্বকাপ হয়ে ওঠে সেই অস্ত্রের বড় সংস্করণ।

ইউরোপের আধিপত্য, মেধার শোষণ

গবেষণার উদ্ধৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম ইউরোপ বিশ্ব ফুটবলের আর্থিক কেন্দ্র হওয়ায় তারা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখে। ইউরোপের বড় ক্লাব লিগগুলো আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকা থেকে প্রতিভা শৈশব থেকেই টেনে আনে। একই সঙ্গে সম্প্রচার আয়ের ব্যবধানও সামনে আনা হয়—একদিকে বড় অংক, অন্যদিকে তুলনামূলকভাবে কম।

ফুটবল কি সাম্রাজ্যবাদের নতুন নাম

আলোচনায় সাম্রাজ্যবাদের প্রশ্নটা টানা হয়। বলা হয়, ইউরোপ শতবছর ধরে সম্পদ নিজেদের কেন্দ্রে টেনেছে; ফুটবলও সেই ব্যবস্থার বাইরে নয়। ইউরোপিয়ান ক্লাব ও ফিফার ভূমিকা নিয়ে যে বিশ্লেষণ আছে, সেখানে বলা হয়—কিছু অঞ্চলে থেকে যায় কেবল কাঁচামাল সরবরাহের কাজ, আর নিয়ন্ত্রণ থাকে বড় খেলোয়াড়দের হাতে। ফলে বিশ্বকাপের উল্লাসের পেছনে থেকে যায় সিদ্ধান্তের প্রশ্ন—কার শ্রম, কার মুনাফা, আর কার প্রভাব।

প্রবাসী বাংলাভাষীর কাছে এর মানে কী

বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের জন্য বিশ্বকাপের এই টান-উত্তর বড়ভাবে চোখে পড়ে। কারণ বিনোদন ঠিকই আনন্দ দেয়, কিন্তু একই সঙ্গে কাজ, ভাড়া, জীবনযাত্রার হিসাবের মতোই একটা বড় আর্থিক বাস্তবতা আছে—সেখানেই নির্ধারিত হয় কার ভাগ কতটা।

কী প্রশ্ন রেখে গেল পর্ব-২?
কার স্বার্থে বিশ্বকাপ চালিত হয়, সাধারণ দর্শকের আবেগ কি সত্যিই সিদ্ধান্ত বদলায়, আর ফুটবল কি কেবল খেলা নাকি বড় অর্থব্যবস্থার অংশ—এ তিনটা প্রশ্নই ফের সামনে আসে।

প্রশ্নোত্তর
১) বিশ্বকাপে রাজনীতির প্রভাব মানে কী?
শুধু মাঠে দল নামানো নয়; সিদ্ধান্ত, অর্থ, প্রচার আর নিয়ন্ত্রণের ধরনকেও রাজনীতির ছকে দেখা হয়।
২) দর্শকরা কীভাবে প্রভাব থেকে দূরে থাকে?
আলোচনায় বলা হয়েছে, দর্শকের প্রশ্ন উচ্চতর সিদ্ধান্তপর্বে পৌঁছায় না।
৩) এই বিশ্লেষণ কার জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
যাদের কাছে বিশ্বকাপ শুধু দেখা নয়—যারা ময়দানের বাইরের অর্থনীতির বাস্তবতাও বোঝার আগ্রহ রাখে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons