GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / সরকার-ব্যবসায় একসঙ্গে কাজ, অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন

সরকার-ব্যবসায় একসঙ্গে কাজ, অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন

বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরকারের মতবিনিময় সভার দৃশ্য

সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসঙ্গে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব—এ আশাবাদের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তেজগাঁও কার্যালয়ে বিডার উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি সংলাপকে ‘কার্যকর সমাধানের পথ’ হিসেবে তুলে ধরেন।

সরকার-ব্যবসায়ী সমন্বয়ের বার্তা

বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরকারের মতবিনিময় সভার দৃশ্য

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই লক্ষ্য। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, তবে একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সরকার অর্থনীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো যেমন উপলব্ধি করছে, ব্যবসায়ীরাও সেসব অনুধাবন করছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সমস্যা শুনে সমাধান খোঁজার ধারাবাহিকতা

তিনি জানান, সরকারপ্রধান হিসেবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি আছে এবং নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে খোলামেলা আলোচনায় সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসে। আগের বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের তোলা নানা সমস্যার কয়েকটিতে অগ্রগতি হয়েছে। নতুন করে আজকেও বিভিন্ন বিষয় এসেছে, সেগুলো নিয়েও কাজ হবে।

দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবার বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার। তিনি বলেন, যত বেশি বসা যাবে, তত বেশি সমস্যার কথা জানা যাবে এবং সমাধানের দিকে এগোনো সহজ হবে।

বৈঠকে গুরুত্ব পায় বিনিয়োগ, ঋণ ও শিল্পায়ন

মতবিনিময়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়। উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতিতেও তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আগের সিদ্ধান্ত ও রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা

বৈঠকে বলা হয়, আগের আলোচনা থেকে ২৮টি সমস্যা পর্যালোচনা করে ২১টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাকি সাতটি বিষয়ে প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার রূপরেখাও তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেয় সরকার।

প্রবাসী উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ধরনের সংলাপের বার্তা গুরুত্বপূর্ণ—কারণ ব্যবসাবান্ধব নীতি ও স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি হলে কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্সে টান এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক আস্থা বাড়ে।

প্রশ্নোত্তর

সরকার কোন ধরনের উদ্যোগের কথাই বেশি বলেছে?
সমস্যা চিহ্নিত করে নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে সমাধান খোঁজার উদ্যোগের কথা এসেছে।

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা কী দাবি করেছেন?
সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।

রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্য কী ছিল?
২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons