হামদর্দ ল্যাবরেটরিজের ১২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান কার্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির সেবামুখী কাজকে আরও মানুষের কাছে পৌঁছানোর তাগিদ এসেছে।
জীবনের সার্থকতা—মানুষের মঙ্গল করা

সভাপতির বক্তব্যে হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া বলেন, মানুষের জীবন খুব ক্ষণস্থায়ী। আমরা যতদিন বেঁচে আছি, মানুষের মঙ্গল যদি করতে পারি—তবেই জীবনের সার্থকতা।
তিনি আরও বলেন, এই চেতনা ও সাহস নিয়ে সততার সঙ্গে হামদর্দের সেবার কার্যক্রম দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
মরহুমদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফেরাত
অনুষ্ঠানে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মরহুম হাকীম হাফেজ আবদুল মজিদ, মরহুমা মিসেস রাবেয়া মজিদ, মরহুম হাকীম আবদুল হামিদ এবং মরহুম হাকীম সাঈদকে স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে হামদর্দ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যারা ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
বর্তমান সেবাকর্মে নিয়োজিতদের জন্য দোয়া
সভাপতির বক্তব্যে যারা বর্তমানে হামদর্দের সেবার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন, তাদের জন্যও দোয়া করা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা ও সেবার গতি—দুই দিকেই আধ্যাত্মিক বার্তা শক্ত হলো।
পরিচালনা ও স্বাগত বক্তব্য
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ আমিরুল মোমেনীন মানিক। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন হামদর্দ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সহকারী পরিচালক আবু ইউছুফ আব্দুল হক।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন প্রবাসী পাঠকদের কাছেও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ হামদর্দের সেবামুখী চেতনা শুধু দেশের ভেতরেই নয়—প্রবাসী পরিবারের দৈনন্দিন জীবনেও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
এই দোয়া-মোনাজাত কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? হামদর্দ ল্যাবরেটরিজের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কী বার্তা ছিল? মানুষের মঙ্গল করাকেই জীবনের সার্থকতা হিসেবে তুলে ধরা হয়।
দোয়া মোনাজাত কে পরিচালনা করেন? হামদর্দ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সহকারী পরিচালক আবু ইউছুফ আব্দুল হক।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









