রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগকে মেধা বিকাশের বড় একটি ভিত্তি হিসেবে দেখছেন বরিশাল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তাঁর বক্তব্য, রাষ্ট্র যখন শিক্ষার্থীদের পেছনে বিনিয়োগ করে, তখন সেই মেধাই ধীরে ধীরে দেশের মূল্যবান সম্পদে রূপ নেয়।
বিনিয়োগ মানে ভবিষ্যৎ সক্ষমতা

বাকৃবি উপাচার্য মনে করেন, শুধু শিক্ষাব্যবস্থায় খরচ করা নয়—সেই বিনিয়োগের ফল যেন মানুষের সক্ষমতায় দেখা যায়। মেধাবী শিক্ষার্থীরা যখন সুযোগ পায়, তখন তারা দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত হয়। আর দক্ষতা থেকেই দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিক অগ্রগতি তৈরি হয়।
মেধা দেশের সম্পদে রূপ নেয়
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের লক্ষ্য হওয়া উচিত মেধার বিকাশ ঘটানো। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও অনুশীলনের সুযোগ বাড়লে তাদের কাজের সক্ষমতা বেড়ে যায়। তখন সেই মেধা আর ব্যক্তিগত সাফল্যের সীমায় থাকে না; তা দেশের জন্য উৎপাদনশীল শক্তি হয়ে দাঁড়ায়।
শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রস্তুতি জরুরি
প্রসঙ্গত, গবেষণা ও ব্যবহারিক যোগ্যতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি গড়ে তোলার কথাও উঠে আসে। কারণ বাস্তব সমস্যার সঙ্গে পরিচিতি এবং কাজের অভিজ্ঞতা—দুটিই ভবিষ্যৎকে ত্বরান্বিত করে। ফলে রাষ্ট্রের বিনিয়োগও আরও ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বার্তা
বিদেশে অবস্থান করা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এই বার্তা প্রাসঙ্গিক। তারা যেন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে নিজেদের সংযোগ ধরে রাখেন—অনুপ্রেরণা, সহযোগিতা ও সচেতনতায়। মেধার বিকাশে পরিবারের উৎসাহ যেমন জরুরি, তেমনি বড় কাঠামোতে রাষ্ট্রের বিনিয়োগও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন: বাকৃবি উপাচার্য রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগকে কী হিসেবে দেখছেন?
উত্তর: তিনি বলছেন, এই বিনিয়োগ মেধাকে দেশের সম্পদে পরিণত করতে সহায়তা করে।
প্রশ্ন: বিনিয়োগের লক্ষ্য কী হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন?
উত্তর: শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সক্ষমতা গড়ে তোলার মাধ্যমে উৎপাদনশীল জনশক্তি তৈরি।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









