GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে চুরি: তথ্য বিভ্রান্তি

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে চুরি: তথ্য বিভ্রান্তি

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে কোস্ট গার্ডের টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রমের দৃশ্য

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে ছিঁচকে চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের কয়েকটি তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। বাহিনীর দাবি, আলোচিত তিনটি জাহাজের মধ্যে দুটি জাহাজে চুরির চেষ্টা নস্যাৎ করা হলেও মালামাল খোয়া যায়নি।

চুরির দুই ঘটনায় কোস্ট গার্ডের দাবি

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে কোস্ট গার্ডের টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রমের দৃশ্য

কোস্ট গার্ড বলছে, ঘটনাগুলোর মধ্যে দুটি জাহাজের ক্ষেত্রে চুরি সংঘটনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষ কোস্ট গার্ডকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এবং লেটার অব অ্যাপ্রিসিয়েশন দিয়েছে। বাহিনীর ভাষ্য, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় ওই দুই জাহাজে কোনো মালামাল হারায়নি।

তৃতীয় জাহাজে দেরিতে জানানো প্রসঙ্গ

এদিকে, তৃতীয় জাহাজটির ঘটনায় কোস্ট গার্ডকে চুরির সময় জানানো হয়নি—এমন দাবিই করেছে কোস্ট গার্ড। তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় সাত ঘণ্টা পনের মিনিট পর শিপিং এজেন্ট বিষয়টি অবহিত করলে তখনই বোর্ডিং টিম পাঠিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানটি এখনো চলমান রয়েছে।

অনুমোদিত ওয়াচম্যান না থাকা ঘাটতি

কোস্ট গার্ড আরও জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিধি অনুযায়ী বহিঃনোঙরে অবস্থানরত জাহাজে নিবন্ধিত ওয়াচম্যান থাকার কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট জাহাজে অনুমোদিত ওয়াচম্যান পাওয়া যায়নি—এটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাটতি হিসেবে উল্লেখ করেছে বাহিনীটি।

বহিঃনোঙরে টহল-অভিযান জোরদারের বার্তা

কোস্ট গার্ড বলছে, বহিঃনোঙরে মাদক, অস্ত্র, চোরাচালান, মানবপাচার, ছিঁচকে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, বিশেষ অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত তৎপরতায় এ ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলেও তাদের দাবি।

তাদের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ব জোন বহিঃনোঙর এলাকায় একাধিক টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানগুলোতে বিভিন্ন অবৈধ মালামাল জব্দের পাশাপাশি চোরাচালানকারী ও ছিঁচকে চোরদের আটক করা হয়। সর্বশেষ একটি বিশেষ অভিযানে নৌযানসহ একদলকে আটক করার কথাও জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান

বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে বহিঃনোঙরে জিরো টলারেন্স নীতিতেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জনবল ও নৌযানের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও সরকারের উদ্যোগে দুটি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার সংযোজন এবং জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে—এসব বাস্তবায়িত হলে সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রশ্ন: তিনটি জাহাজের মধ্যে কোন দুটি ঘটনায় মালামাল খোয়া যায়নি?

উত্তর: কোস্ট গার্ডের ভাষ্য, আলোচিত তিনটির মধ্যে দুটি জাহাজে চুরির চেষ্টা নস্যাৎ হওয়ায় কোনো মালামাল খোয়া যায়নি।

প্রশ্ন: তৃতীয় জাহাজের ক্ষেত্রে দেরি কেন?

উত্তর: কোস্ট গার্ড বলছে, চুরির সময় তাদের জানানো হয়নি; এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা পনের মিনিট পরে অবহিত হলে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রশ্ন: বহিঃনোঙরে নিরাপত্তা জোরদারে কোস্ট গার্ড কী করছে?

উত্তর: নিয়মিত টহল, বিশেষ অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ চালানোর কথা জানিয়েছে বাহিনীটি।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons