ঢাকাকে আধুনিক ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। এতে প্রবাসীসহ দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় ইস্যু—পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা—বাস্তবে কেমন এগোচ্ছে তা চোখে দেখার চেষ্টা স্পষ্ট হয়।
নিজে গাড়ি চালিয়ে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ

শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে গুলশান, শ্যামলীসহ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উপ-প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে বের হন।
এরপর তিনি উত্তর সিটির বিভিন্ন সড়কের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন। বিকেল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি শ্যামলী এলাকা অতিক্রম করতে দেখা যায়।
প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় ‘ক্লিন সিটি’ লক্ষ্য
পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী বারবার তাগিদ দিয়েছেন—ঢাকাকে আধুনিক এবং ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে দেখতে চান। সেই প্রতিশ্রুতি থেকেই রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম কীভাবে চলছে, তা নিজে সরেজমিন দেখার উদ্যোগ নেন তিনি।
সঙ্গী ছিলেন কারা
প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনকালে তার গাড়িতে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।
প্রবাসীদের কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ
প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরা জন্মভূমির উন্নতি দেখতে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহী। পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঠিকমতো হলে নগরবাসীর ভোগান্তি কমে, স্বাস্থ্য ঝুঁকিও কমে আসে। ঢাকার ‘ক্লিন সিটি’ ভাবনায় এই ধরনের সরেজমিন নজরদারি তাই প্রত্যক্ষভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত।
কয়েকটি প্রশ্ন
প্রধানমন্ত্রী কোথায় পরিদর্শনে যান?
গুলশান, শ্যামলীসহ উত্তর সিটির বিভিন্ন এলাকা।
পরিদর্শনের মূল বিষয় কী ছিল?
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বাস্তব চিত্র।
এটা কেন ‘ক্লিন সিটি’ লক্ষ্যের সঙ্গে মিলেছে?
ঢাকাকে আধুনিক ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়তে তাগিদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সরেজমিন দেখা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









