চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনারের ভাষ্য, জনগণের পুলিশ হতে চান তিনি। নিপীড়ক হিসেবে পুলিশকে দেখাতে চান না।
জনগণের আস্থাই লক্ষ্য

কমিশনার বলেন, পুলিশিং হবে মানুষের সেবার মানসিকতা নিয়ে। নাগরিকরা যাতে নিরাপদ বোধ করেন—সেদিকেই তাদের কাজ পরিচালিত হবে। তিনি আস্থার জায়গাটা ধরে রাখতে গুরুত্ব দেন।
নিপীড়ন নয়, সেবা দিতে হবে
সিএমপি কমিশনার জোর দিয়ে বলেন, মানুষকে কষ্ট দেওয়া বা নিপীড়নমূলক আচরণ পুলিশি দায়িত্বের অংশ হতে পারে না। আইন প্রয়োগ হবে ন্যায়নীতি ও মানবিকতার সঙ্গে—এমন মনোভাবের কথাই উঠে আসে তার বক্তব্যে।
জনমুখী পুলিশিংয়ে জোর
প্রসঙ্গত, জনমুখী পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সমস্যায় মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতির কথাও উচ্চারিত হয়। প্রয়োজনে নাগরিকদের উদ্বেগ কমিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য—এমনটাই ইঙ্গিত দেন তিনি।
প্রবাসীদের জন্য বার্তা
বাংলাদেশে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা প্রবাসীদের জন্যও বার্তাটি তাৎপর্যপূর্ণ। পুলিশ-জনতা সম্পর্ক ভালো হলে মানুষ স্বস্তিতে থাকে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলে প্রবাসীদেরও মন শান্ত থাকে।
প্রশ্নোত্তর
১) সিএমপি কমিশনার কী বলেছেন?
তিনি বলেছেন, জনগণের পুলিশ হতে চান—নিপীড়ক নয়।
২) পুলিশিংয়ের মূল লক্ষ্য কী?
মানুষের আস্থা অর্জন করে জনসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৩) নিপীড়নের বিষয়ে অবস্থান কী?
তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, নিপীড়নমূলক আচরণ পুলিশি দায়িত্বের অংশ নয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









