রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়ার পথে থাকা এক ঐতিহ্য এখনো ধুঁকে ধুঁকে টিকে আছে। বঙ্গবাজার ও সিদ্দিকবাজার এলাকায় কয়েকটি টমটম সার্ভিসের পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি—জীবিকার টানে চালু রাখা প্রাণী পরিবহন।
বঙ্গবাজার-সিদ্দিকবাজারে দেখা যায় ঘোড়ার গাড়ি

এ অঞ্চলে যাত্রী বহনের কাজেই নিয়োজিত থাকে ঘোড়াগুলো। দিনের মধ্যে যখন কাজ থাকে, তখন প্রাণীগুলো টেনে নেয় ভাড়ার গাড়ি—মানুষের যাতায়াতে যোগ দেয়। তবে এ কাজটাই টিকে থাকার ভরসা।
কাজ না থাকলে ফ্লাইওভারের নিচে বাঁধা
কাজ না থাকলে বা দিনের আলো ফুরিয়ে গেলে ঘোড়াগুলোকে বেঁধে রাখা হয় নির্দিষ্ট জায়গায়। সেখানে রয়েছে ‘মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার’-এর নিচের অংশ—যেখানে রাখা হয় এসব প্রাণীকে।
পর্যাপ্ত জায়গা আর পরিচ্ছন্নতার সংকট
তবে বেঁধে রাখার সেই জায়গায় পর্যাপ্ত জায়গা নেই। একই সঙ্গে পরিবেশও থাকে না পরিচ্ছন্ন। ফলে কাজ শেষ হলেই প্রাণীদের বসবাসের শর্ত হয়ে পড়ে টানাপোড়েনের মধ্যে।
হারিয়ে যাওয়ার পথে তবু টিকে থাকা
সব বাধা সত্ত্বেও ঢাকার এই ঐতিহ্য—ঘোড়ার গাড়ি—এখনও পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। বঙ্গবাজার ও সিদ্দিকবাজার এলাকার রাস্তা ধরে ধুঁকে ধুঁকে চলতে দেখা যায় প্রাণীগুলোর জীবিকা। আর এ দৃশ্য শহরের আধুনিকতা আর বাস্তবতার মধ্যে এক ধরনের খণ্ডচিত্র হয়ে দাঁড়ায়।
প্রবাসী পাঠকদের জন্যও গুরুত্বটা কোথায়? আপনি দেশে বা প্রবাসে থাকুন—বাংলাদেশের শহুরে জীবনযাত্রায় শ্রম আর সহায়তার সঙ্গে প্রাণীর কল্যাণের বিষয়টিও জড়িয়ে আছে। পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি কীভাবে মানুষ-প্রাণীর সহাবস্থানটা টেকসই হবে, সেটাই প্রশ্ন হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ও উত্তর
বঙ্গবাজার ও সিদ্দিকবাজারে এখন কী ধরনের পরিবহন দেখা যায়?
কয়েকটি টমটম সার্ভিসের পাশাপাশি ঘোড়ার গাড়িও দেখা যায়।
ঘোড়াগুলো কাজ না থাকলে কোথায় রাখা হয়?
কাজ না থাকলে বা দিনের আলো শেষ হলে ফ্লাইওভারের নিচে বেঁধে রাখা হয়।
এই জায়গা নিয়ে কী সমস্যা আছে?
পর্যাপ্ত জায়গা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের সংকট রয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









