GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / শিক্ষার্থী লাঞ্ছিত অভিযোগে শিক্ষা বোর্ড সচিব অপসারণ দাবি

শিক্ষার্থী লাঞ্ছিত অভিযোগে শিক্ষা বোর্ড সচিব অপসারণ দাবি

যশোর এমএম কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের দৃশ্য

যশোরের এমএম কলেজের এক শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষা বোর্ডের সচিবের বিরুদ্ধে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সোমবার ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা—সচিবের অপসারণও দাবি তুলেছে তারা।

ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ, সচিবের অপসারণ দাবি

যশোর এমএম কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের দৃশ্য

সোমবার সকালে কলেজের ‘চেতনায় চিরঞ্জীব’ ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জানান।

অভিযোগের বিবরণ: গালিগালাজ ও মারধরের দাবি

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রোববার সকালে সার্টিফিকেটে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের জন্য যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কক্ষে যান এমএম কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সেজান। ওই সময় গলায় হেডফোন দেখে সচিব গালিগালাজ করেন—এবং একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ছাত্রদলের সংহতি, দ্রুত পদক্ষেপের চাপ

বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি দ্রুত সচিবের অপসারণ দাবি করেন এবং দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।

অভিযোগ অস্বীকার শিক্ষাবোর্ড সচিবের

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী তার কক্ষে এসেছিলেন; শার্টের কয়েকটি বোতাম খোলা ছিল এবং গলায় হেডফোন ছিল। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীকে ভদ্রভাবে আসতে বলেছেন। তার দাবি, তাকে মারধর করা হয়নি; এটি অপপ্রচার।

এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের দাবি যতটা তীব্র, ততটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে—কারও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সত্যতা দ্রুত যাচাই করা। প্রবাসী পাঠকদের কাছেও বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, কারণ শিক্ষা ও অফিস-পরিবেশে হয়রানি নয়—ন্যায্য আচরণই পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়।

প্রশ্নোত্তর

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা ঠিক কী দাবি তুলেছে?
সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের দাবি।

সচিব অভিযোগ অস্বীকার করে কী বলেছেন?
শিক্ষার্থীকে ভদ্রভাবে আসতে বলার কথা বলেছেন এবং মারধরের অভিযোগকে অপপ্রচার বলে উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগের কারণ কী ছিল?
সার্টিফিকেটে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের জন্য শিক্ষা বোর্ডে গিয়েছিলেন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons