শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও সন্ত্রাসের আশ্রয়ে পরিণত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এনসিপি নেতা মো. নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের পাঁয়তারা বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
হামলা ও দখলের পাঁয়তারা নিয়ে উদ্বেগ

মঙ্গলবার রাজধানীর আফতাবনগরের সিরাজ কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় ছাত্রশক্তির সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ প্রতিনিধি ও ছাত্রশক্তির নেতৃত্বের ওপর হামলা হয়েছে।
ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা আলিয়া মাদরাসাসহ নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার মতে, ছাত্রদল এবং তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী এ ধরনের আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হচ্ছে।
সরকারকে ‘শিক্ষার্থীদের পাশে’ দাঁড়ানোর আহ্বান
তিনি সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষভাবে তিনি বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে কোনো ঝামেলায় জড়ানো যাবে না; শিক্ষার্থীদের যেন নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করতে পারে, সেই পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক ধারা ধরে রাখতে হবে এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা স্বীকৃতির দাবি
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের আত্মত্যাগের জন্য স্বীকৃতি দরকার। পাশাপাশি তিনি ডকুমেন্টেশন করার কথাও বলেন।
সভায় যাদের বক্তব্য শোনা যায়
আলোচনা সভায় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্যসচিব রাফে সালমান রিফাত, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
প্রবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য এ ধরনের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ক্যাম্পাসে অস্থিরতা বাড়লে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হয়, নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং শিক্ষাব্যয় নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
প্রশ্নোত্তর
প্রধান অভিযোগ কী?
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও সন্ত্রাসের আশ্রয় তৈরির চেষ্টা ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের পাঁয়তারা চলছে—এমন বক্তব্য এসেছে।
আলোচনা সভাটি কোথায় হয়েছে?
আফতাবনগরের সিরাজ কনভেনশন সেন্টারে।
কোন দাবি জানানো হয়েছে?
শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করতে দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









