রাজপথের রাজনীতি ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই—এমন বার্তাই দিলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। নয়াপল্টনে মশাল মিছিল শেষে তিনি অশালীন ও কটূক্তিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে আরও কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।
নয়াপল্টনে মশাল মিছিল

শুক্রবার রাজধানীর মালিটোলা পার্ক থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নয়াপল্টনে এসে শেষ হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অশালীন ও কটূক্তিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদেই এ কর্মসূচি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কটূক্তি চললে কঠোর কর্মসূচি
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইশরাক হোসেন বলেন, দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ ও দলের নেতার বিরুদ্ধে কুৎসিত, অশালীন এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য চলতে থাকলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দল রাজনীতি ও সংগ্রাম ভুলে যায়নি; গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াইও থামবে না।
স্বাধীনতা ও চরিত্রের প্রসঙ্গ
তিনি স্বাধীনতার মহানত্বের কথাও টেনে বলেন, মহান স্বাধীনতাকে হরণ করা এবং কারও চরিত্র হরণ করার মতো বিষয় মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হলে সেটির বিরুদ্ধে অবস্থানের কথা জানান।
গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সমর্থন
ইশরাক হোসেন গণতান্ত্রিক যেকোনো কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানান। নতুন গঠিত একটি রাজনৈতিক দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং কিছু নেতা-কর্মী সংসদেও রয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করেন—গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট করে এক ধরনের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।
রাজপথের রাজনীতি ভুলবে না
কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, রাজনীতি ভুলে গেলে চলবে না। সরকারের ক্ষমতা থাকলেও ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত—কিন্তু জনগণের রাজনীতি, জনগণের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতি টিকে থাকতে হবে। তিনি নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনভিত্তি কাজে লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজপথের কর্মসূচিগুলো সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









