বৈষম্যহীন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করতে হবে—এমন আহ্বান জানালেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এই বার্তা সমানভাবে জরুরি, কারণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আর ন্যায্যতার কথা সামনে রেখে ভবিষ্যৎ নির্মাণের পথ খোঁজা এখন সবার লক্ষ্য।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উদযাপন

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজন হয়। সকাল থেকে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বিজয় র্যালি বের করা হয়।
উপাচার্যের বক্তব্য: আত্মত্যাগ স্মরণ, দোয়া প্রার্থনা
সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, মুক্তিকামী মানুষের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনা আজও পথ দেখায়। তিনি ৫২, ৬৯, ৭১, ৯০ এবং সবশেষ ২০২৪ সালের রাজনৈতিক বাঁকগুলোতে জীবন দেওয়া মানুষগুলোর জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানান।
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজের তাগিদ
উপাচার্য আরও বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে সবাইকে উন্নত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজ করতে হবে। গণঅভ্যুত্থানকে শুধু অতীতের স্মৃতি হিসেবে না দেখে, সেটিকে বর্তমানের দায়িত্বে রূপ দেওয়ার কথাই উঠে আসে তার বক্তব্যে।
সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ
আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
কারা উপস্থিত ছিলেন
ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য বার্তা
দেশে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা উঠে আসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায়, তা বাস্তবায়নে শিক্ষা-চিন্তা এবং দায়িত্বশীল নাগরিক ভূমিকার গুরুত্বও মনে করিয়ে দেয়। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরাও এই মূল্যবোধ ধরে রাখতে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে সচেতনতা, ন্যায্যতা ও মানবিকতার চর্চায় ভূমিকা রাখতে পারেন—এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।
সংক্ষেপে তিন প্রশ্ন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কী আয়োজন ছিল? চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভা—সব মিলিয়ে আয়োজন হয়।
উপাচার্য কী বিষয়ে জোর দেন? জুলাইয়ের চেতনা ধরে উন্নত, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজ করার বিষয়ে।
কাদের সম্মাননা দেওয়া হয়? জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









