GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / খেলা / দুই দিনে শেষ নয় টেস্ট, কিউরেটরের বার্তা

দুই দিনে শেষ নয় টেস্ট, কিউরেটরের বার্তা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচের উইকেট প্রসঙ্গে মারারা স্টেডিয়ামের ধারণা

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ খেলতে নামছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। মাঠের উইকেট কেমন হবে—এটা আগে থেকেই ভাবাচ্ছে খেলোয়াড় ও ভক্তদের।

মারারা স্টেডিয়ামে ভারসাম্যপূর্ণ উইকেট প্রত্যাশা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচের উইকেট প্রসঙ্গে মারারা স্টেডিয়ামের ধারণা

মারারা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ বলেছেন, এমন মানসম্মত পিচ তৈরি করা হবে, যেখানে রান ওঠার সুযোগ থাকবে; আবার বোলারদেরও কিছুটা সহায়তা মিলবে।

তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে পরীক্ষামূলক কিছু করার পরিস্থিতি নেই। ফলে লক্ষ্য থাকবে এমন উইকেট, যা সত্যিই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের জন্য উপযোগী।

৪র্থ-৫ম দিনে উইকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন হতে পারে

কিউরেটর জানান, ম্যাচের শেষ দিক—বিশেষ করে চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে। তবে সেটাও হবে পরিকল্পিতভাবে, যেন উইকেটের ধারাবাহিকতা থাকে।

তাঁর ব্যাখ্যায় স্পষ্ট, টেস্টে ফল নির্ভর করে উইকেটের আচরণের ওপর—সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি।

‘অস্ট্রেলিয়ান উইকেট’ একরকম নয়

দেশভিত্তিক উইকেট ভাবনায় অনেকেই ‘প্রথাগত অস্ট্রেলিয়ান পিচ’ খোঁজেন। কিন্তু জ্যাক পাভলিচ বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় সব জায়গার পিচ এক নয়; ঠিক আদর্শ কোনটা—তা বলা কঠিন। তিনি নিজেও নিশ্চিতভাবে জানেন না।

তবে আশার জায়গা তিনি পরিষ্কার করেছেন—একটি ভালো ব্যাটিং উইকেট পাওয়া যাবে, যেখানে বোলাররাও পরিশ্রম করে সুবিধা আদায় করতে পারবে। কথাটা শুনতে গতানুগতিক মনে হলেও লক্ষ্যটাই সেটাই।

কিউরেটর চান না টেস্ট দুই দিনে শেষ হোক

টেস্ট দুই দিনে শেষ হয়ে যাওয়ার ধারণা নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। জ্যাক পাভলিচ বলেছেন, তারা কখনোই চান না ম্যাচ দুই দিনে শেষ হোক। কিন্তু প্রস্তুতি যত পরিকল্পনাই থাকুক, শেষ কথা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের।

অর্থাৎ তারা শুধু উইকেট প্রস্তুত করে; বাকি অংশ মাঠে গড়ে উঠবে ব্যাট-বল ও কৌশলে।

প্রবাসী দর্শকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে এই টেস্ট মানে কেবল স্কোর নয়, প্রতিযোগিতার মানটাই বড়। প্রবাসে থাকা ভক্তদের দুশ্চিন্তা সাধারণত একটাই—ম্যাচ যেন একতরফা হয়ে না যায়। কিউরেটরের বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, টেস্ট যেন অন্তত সময় পায়, তাতে ফলও জমবে।

শেষ কথা

মারারা স্টেডিয়াম নামের এই মাঠে এখন পর্যন্ত টেস্ট হয়েছে সীমিত—তাই নতুন প্রশ্ন, নতুন হিসাব। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্টে উইকেটের আচরণই বলে দেবে, পিচ কতটা রান দেবে আর কতটা চমক রাখবে।

প্রশ্নোত্তর

মারারা স্টেডিয়ামে উইকেট কেমন হবে বলে কিউরেটর বললেন?
তিনি বলেছেন, রানও উঠবে, বোলাররাও কিছুটা সহায়তা পাবে—ভারসাম্যপূর্ণ পিচ হবে।

৪র্থ-পঞ্চম দিনে উইকেট কি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে?
হ্যাঁ, কিউরেটরের মতে ওই সময় উইকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য কিছুটা কঠিন হতে পারে।

টেস্ট দুই দিনে শেষ হওয়া কি তারা চান?
না, কিউরেটর বলেছেন তারা তা চান না।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons