চাকরির নিয়োগে শুধু মেধাই চলবে—কমিটি-বাণিজ্য বা স্বজনপ্রীতি নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এমন স্পষ্ট বার্তা দিলেন। প্রবাসীসহ চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য এটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ স্বচ্ছতা না থাকলে স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবি

সাদিক কায়েম বলেন, চাকরি হতে হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। রাজনৈতিক পরিচয়, স্বজনপ্রীতি কিংবা অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ—এ ধরনের কোনো প্রক্রিয়া তিনি মেনে নেবেন না বলে জানান।
কমিটি-বাণিজ্য, অর্থের বিনিময়—দূর করার আহ্বান
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘চাকরি- মামার নয়, চাকরি চাই’ এবং ‘কোটা গেছে যে পথে, কমিটিও যাবে সেই পথে’সহ নানা স্লোগান দেয়। সাদিক কায়েম বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে কমিটি-বাণিজ্য, টাকা নিয়ে নিয়োগ বা মামা-খালু-চাচার পরিচয়ের মাধ্যমে নিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি না থাকলে ঝুঁকি বাড়ে
তিনি উল্লেখ করেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি, অর্থের বিনিময় এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সাদিক কায়েম বলেন, যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা শুধু এক জন চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গেই নয়, পুরো শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গেই অন্যায় হয়ে দাঁড়ায়।
এনটিআরসিএ কেন্দ্রীয় নিয়োগব্যবস্থা কার্যকর রাখতে অনুরোধ
সাদিক কায়েম এনটিআরসিএর মাধ্যমে বিদ্যমান কেন্দ্রীয় নিয়োগব্যবস্থা কার্যকর রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি এমন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও কথা বলেন, যাতে নিয়োগে কমিটি-বাণিজ্য বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ তৈরি হয়। তার দাবি—চাকরি হবে মেধায়, চাকরি হবে যোগ্যতায়, চাকরি হবে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়।
শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ঘোষণা
সরকার ও শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি উপেক্ষা করা হলে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি ঘোষণা দেন, পরদিন বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে গণজমায়েত হবে—সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের কথাও জানান।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: সাদিক কায়েম নিয়োগে সবচেয়ে কোন বিষয়টি জোর দিয়ে বলেছেন?
উত্তর: নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তি, এবং কমিটি-বাণিজ্য, অর্থের বিনিময় ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা।
প্রশ্ন: তিনি এনটিআরসিএ নিয়ে কী বলেছেন?
উত্তর: এনটিআরসিএর মাধ্যমে বিদ্যমান কেন্দ্রীয় নিয়োগব্যবস্থা কার্যকর রাখতে অনুরোধ করেছেন।
প্রশ্ন: আন্দোলন কীভাবে চলবে বলে জানিয়েছেন?
উত্তর: দাবির পক্ষে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









