আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ার লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করবে—প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যই উঠে এসেছে। প্রতিরক্ষার সক্ষমতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
প্রযুক্তির সহায়তায় সেনাবাহিনী গড়ার অঙ্গীকার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সামরিক বাহিনীর শক্তি শুধু জনবল বা প্রচলিত প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তি ও আধুনিক পদ্ধতি যুক্ত করে সেনাবাহিনীকে আরও কার্যকর করতে হবে।
প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় গুণগত পরিবর্তন
সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে যে প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা দরকার, তা বাস্তবায়নে মনোযোগ দেওয়া হবে। উদ্দেশ্য হলো দ্রুত সিদ্ধান্ত, নির্ভুল সমন্বয় এবং সামগ্রিক সক্ষমতা বাড়ানো।
প্রস্তুতি জোরদারে নীতিগত দিকনির্দেশনা
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রতিরক্ষা খাতে নীতিগত দিকনির্দেশনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, কার্যক্রম ও সক্ষমতা আরও উন্নত করার ভাবনাও গুরুত্ব পায়।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য তাৎপর্য
বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো মানে নাগরিকের আস্থা, সার্বিক স্থিতি এবং দেশের প্রতিরক্ষায় বিশ্বাসের জায়গা শক্ত হওয়া। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ—দেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সামনে এগোলে তারা স্বস্তির সঙ্গে কর্মজীবন ও জীবনযাপন করতে পারেন।
প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রী কী বিষয়ে জোর দিয়েছেন?
উত্তর: আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা বলেছেন তিনি।
প্রশ্ন: বক্তব্যের মূল বার্তা কী?
উত্তর: প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় গুণগত পরিবর্তন আনতে প্রযুক্তির ভূমিকা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা।
প্রশ্ন: এতে দেশের নিরাপত্তা কীভাবে প্রভাবিত হবে?
উত্তর: সক্ষমতা উন্নত হলে সমন্বয় ও প্রস্তুতি আরও শক্ত হবে—যা সামগ্রিক নিরাপত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









