রাতের অঝোরে বৃষ্টির পর ঢাকার বিভিন্ন সড়কে পানি জমেছে। এতে চলাচলকারী মানুষ ও গাড়িচালকদের ভোগান্তি তীব্র আকার ধারণ করেছে।
দিনভর ছিল ভ্যাপসা গরম। সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নামে লাগাতার। অল্প সময়ের মধ্যেই শহরের কয়েকটি সড়কে পানি উঠে যায়, ফলে সাধারণ মানুষকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে, কোথাও কোথাও থমকে যাচ্ছে যান চলাচল।
পানিতে ডুবে যাচ্ছে নগরের সড়ক

বৃষ্টির পানি সড়কের ওপর জমে যাওয়ায় রাস্তা পারাপার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধ অংশ দিয়ে যেতে গিয়ে অনেকেই সময় বেশি নিচ্ছেন। ব্যস্ততার শহরে এই সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে দৈনন্দিন চলাফেরায় চাপ তৈরি করছে।
দুর্ভোগে পড়ছেন চলাচলকারীরা
জলাবদ্ধ সড়কে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। অনেকে বিকল্প পথ খুঁজছেন, কিন্তু পানির কারণে সব পথেই ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। রাত হওয়ায় দৃশ্যমানতাও কমে যায়, ফলে ঝুঁকি বাড়ছে।
গাড়িতে পানি ঢুকে ইঞ্জিন বিকল
সবচেয়ে বড় ভোগান্তি হচ্ছে যানবাহনের ক্ষেত্রে। পানিতে ডুবে গিয়ে অনেক গাড়িতে পানি ঢুকে ইঞ্জিন বিকল হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে গাড়ি চালু করে গন্তব্যে পৌঁছানো তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
প্রবাসী পরিবারের জন্যও বার্তা
বাংলাদেশে থাকা স্বজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন অনেক প্রবাসী। এই ধরনের জলাবদ্ধতা যাতায়াতের সময়সূচি এলোমেলো করে দিতে পারে। তাই রাতের ভ্রমণ বা দরকারি কাজে বের হওয়ার আগে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টিও অব্যাহত ছিল—ফলে সড়কের পানি কমার লক্ষণ দেখা না গেলে দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
যা মনে রাখবেন
- পানিতে হাঁটা বা গাড়ি চালানো এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে ডুবে থাকা অংশে।
- দীর্ঘ সময় রাস্তার পানি স্পর্শ করলে যানবাহনের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
- প্রয়োজনে রাতের জরুরি কাজে বাইরে যাওয়ার আগে যোগাযোগ করে নিন।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
আজ রাতের বৃষ্টির পর কোন সমস্যাটি বেশি দেখা যাচ্ছে?
ঢাকার বিভিন্ন সড়কে পানি জমে রাস্তা জলাবদ্ধ হওয়ায় চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
গাড়ির ক্ষেত্রে কী ধরনের সমস্যা হয়েছে?
অনেক গাড়িতে পানি ঢুকে ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
প্রবাসী স্বজনদের কীভাবে সতর্ক থাকা উচিত?
রাতে চলাচলের আগে পরিস্থিতি দেখে বের হওয়া এবং প্রয়োজন হলে সময় বদলানো ভালো।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









