রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের পাশে ফুটপাত থেকে অচেতন এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবরটি প্রবাসী পরিবারগুলোর কাছেও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে পরিচয় শনাক্ত আর সঠিক কারণ জানার প্রক্রিয়াটি সরাসরি প্রভাব ফেলে স্বজনদের অনিশ্চয়তার উপর।
অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, ঢামেকে নেওয়া

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ওই ব্যক্তি অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাখা
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জানিয়েছেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।
ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন বলে ধারণা
ডিএমপি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আরও বলেন, নিহত ব্যক্তি ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন এবং সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকাতেই থাকতেন। অসুস্থতাজনিত কারণেই মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
পরিচয় শনাক্তে সিআইডির ক্রাইম সিন
নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিনকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘটনাটির বিষয়ে তদন্ত এগোবে পরিচয় ও পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার দিকে।
প্রবাসীদের জন্য কেন জরুরি
দূরে থাকা স্বজনরা সাধারণত অজ্ঞাত কোনো মৃত্যুর খবরে দ্রুত জানতে চান—তাদের পরিচিত কেউ কি না, এবং মৃত্যু কেন হলো। ময়নাতদন্ত ও পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়াই এই অনিশ্চয়তা কমায়।
কিছু প্রশ্ন
১) মরদেহটি কোথায় রাখা হয়েছে?
ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে মরদেহ রাখা হয়েছে।
২) মৃত্যু কারণ কী—প্রাথমিকভাবে কী বলা হয়েছে?
প্রাথমিকভাবে অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৩) পরিচয় শনাক্তে কারা কাজ করছে?
সিআইডির ক্রাইম সিনকে খবর দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









