আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আজ জেদ্দায় প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। লোহিত সাগরপাড়ের এই শহর ঘিরে নিরাপত্তা-সহযোগিতার বার্তা প্রবাসী বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন মানসিক স্বস্তিতেও সরাসরি ছুঁতে পারে।
জেদ্দায় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি

সৌদি আরবের সামরিক বাহিনী ও সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র জানিয়েছে, এই তিন দেশ আজ শুক্রবার জেদ্দায় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সই করবে। ধারণা করা হচ্ছে, চুক্তিটি বহুদিন ধরেই আলোচনায় ছিল, তবে অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে বাস্তবায়ন এগিয়েছে।
কাদের উপস্থিতিতে সই
চুক্তি সইয়ের আগে জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান–এর সঙ্গে বৈঠক করবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তুরস্কের প্রেসিডেন্সি জানায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান জেদ্দার সফরের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
সফরের পেছনে কূটনৈতিক বার্তা
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা থাকলেও এই সফরের গুরুত্ব তাৎক্ষণিক সংকটের বাইরে গিয়ে বিবেচনায় আসবে। অর্থাৎ, এটি সাময়িক প্রতিক্রিয়ার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বয়ের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইউএস-ইরান টানাপোড়েনের ছায়া
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এই যৌথ উদ্যোগকে ঘিরে গুরুত্ব বাড়ছে। কয়েক মাস ধরে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে কৌশলগত জোট গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে, আর গাজায় যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে তুরস্ক।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই ধরনের চুক্তি মূলত নিরাপত্তা বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত। অঞ্চলজুড়ে স্থিতিশীলতার সুযোগ তৈরি হলে কাজের পরিবেশ ও যাতায়াত পরিকল্পনায় তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জানতে চাওয়ার ২ প্রশ্ন
১) চুক্তি সই হবে কোথায়? জেদ্দায়।
২) কেন এখন চুক্তিটি এগাল? অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com








