ভারতের ঝাড়খন্ডে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থী আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। জলকামানেও কর্মসূচি থামেনি; নাচতে নাচতে রাজ্য বিধানসভার দিকে অভিমুখী ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছে তারা।
জলকামানেও থামল না বিক্ষোভ

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে গেলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেনি। বরং রাজ্য বিধানসভার দিকে মিছিলের গতি বেড়েছে। এভাবে চাপ বাড়ানোর মধ্যেও কর্মসূচির ধরন বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।
নাচতে নাচতে বিধানসভা ঘেরাও
এই কর্মসূচির বিশেষত্ব হলো, শিক্ষার্থীরা নাচের আমেজে বিধানসভা ঘেরাওয়ের দিকে এগোচ্ছে। এতে আন্দোলনের বার্তা যেমন জোরালো হচ্ছে, তেমনি মিছিলের মধ্যে শৃঙ্খলাও বজায় রাখার চেষ্টাও চোখে পড়ছে।
মিছিলের তীব্রতা বাড়ার প্রভাব
ঝাড়খন্ডে শিক্ষার্থীদের রাজ্য প্রশাসনের কাছে দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। আন্দোলন যত বিস্তৃত হচ্ছে, ততই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে—বিশেষ করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। প্রবাসীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রতিবাদের ঢেউ বড় হলে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত ও নীতির প্রশ্নে তা সরাসরি রাজনৈতিক পরিবেশকে নড়িয়ে দেয়।
এখন কী পরিস্থিতি দাঁড়ায়
বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল লক্ষ্য বিধানসভার ঘেরাও সফল করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির মধ্যে দূরত্ব কমে আসার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। ফলে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।
প্রশ্নোত্তর
আন্দোলন কোথায় বেশি জোরালো হচ্ছে?
ঝাড়খন্ডে রাজ্য বিধানসভার অভিমুখে মিছিল ও ঘেরাও কর্মসূচিতে।
জলকামান ব্যবহারের পরও শিক্ষার্থীরা কেন থামছে না?
কর্মসূচির প্রতি তাদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি কমেনি বলে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
এই আন্দোলনের প্রভাব কার ওপর পড়তে পারে?
রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানচলাচল ও দৈনন্দিন রুটিনে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









