GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / এসএসসি ২০২৭ বিজ্ঞান প্রশ্নে রাফেজ ও খাদ্য

এসএসসি ২০২৭ বিজ্ঞান প্রশ্নে রাফেজ ও খাদ্য

এসএসসি বিজ্ঞান সংক্ষিপ্ত প্রশ্নে রাফেজ, সুষম খাদ্য ও দুধের ধারণা

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৭-এর বিজ্ঞান অংশে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের প্রস্তুতিতে কাজে লাগবে বেশ কয়েকটি ‘বারবার আসা’ ধারণা—রাফেজ, আঁশযুক্ত খাবার, সুষম খাদ্য, দুধ, বিশ্রাম ও এআইডস। প্রবাসী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রতিদিন অল্প সময়ে রিভিশনের জন্য এগুলো খুব কাজে লাগবে।

রাফেজ মানে কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ

এসএসসি বিজ্ঞান সংক্ষিপ্ত প্রশ্নে রাফেজ, সুষম খাদ্য ও দুধের ধারণা

রাফেজ মূলত সেলুলোজ নির্মিত দীর্ঘ তন্তুময় অংশ, যা প্রধানত উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—রাফেজ দেহে সরাসরি পুষ্টি জোগায় না, কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

আঁশযুক্ত খাবার কীভাবে কাজ করে

যেসব খাবারে সেলুলোজযুক্ত তন্তুময় অংশ থাকে, সেগুলোই আঁশযুক্ত খাবার। এগুলো অপাচ্য খাদ্য নিষ্কাশনে সাহায্য করে। একই সঙ্গে পরিপাকে সহায়তা করে, পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বাড়ায়—ফলে নিয়মিত পায়খানার স্বাভাবিকতা বজায় থাকতে সুবিধা হয়।

রাফেজের উৎস—ডাল ও উদ্ভিদপ্রধান খাবার

রাফেজ হলো সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর। শস্যদানা, ফলমূল ও সবজির অপাচ্য অংশে রাফেজ থাকে। মসুর ডালকে রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাদ্যের উৎস বলা হয়—কারণ এতে আঁশযুক্ত দীর্ঘ তন্তুময় অংশ ও কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে তৈরি।

সুষম খাদ্য: ছয় উপাদান ও ক্যালরি প্রসঙ্গ

যে খাদ্যে গুণাগুণ অনুযায়ী সব উপাদান উপযুক্ত পরিমাণে থাকে এবং খাদ্য গ্রহণে দেহের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালরি পাওয়া যায়, তাকে সুষম খাদ্য বলা হয়। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ কর্মশীল পুরুষের দৈনিক শক্তির প্রয়োজন প্রায় ২৫০০ থেকে ৩০০০ কিলোক্যালরি—যা দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার সুষম ছয়টি উপাদান থেকে আসে।

দুধকে আদর্শ খাবার বলা হয় কেন

দুধকে আদর্শ খাবার বলা হয় কারণ এতে শর্করার পাশাপাশি উচ্চ মানের প্রাণিজ আমিষ ও স্নেহজাতীয় পদার্থ থাকে। এতে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আছে, যা হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে। দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ভিটামিনও থাকে—ফলে বৃদ্ধি ও বিকাশে দুধের ভূমিকা পূর্ণাঙ্গ।

বিশ্রাম—শরীর ও মন দুই দিকেই

পরিশ্রমের ফলে মানুষ ক্লান্ত হয়ে গেলে এবং পেশিগুলো অবশ হয়ে উঠলে, কিছুক্ষণ শরীরকে নিষ্ক্রিয় রেখে আরাম গ্রহণ করাকে বিশ্রাম বলে। আর শরীর ও মন থেকে উদ্বেগ-দুশ্চিন্তা দূর করে পছন্দসই ও স্বস্তিকর কোনো বিষয়ে মনোনিবেশ করাকেই মনের বিশ্রাম বলা হয়।

এআইডস কেন মরণব্যাধি হিসেবে বলা হয়

প্রাকৃতিক নিয়মে দেহে রোগজীবাণু আক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষমতা থাকে। এআইডস—এ আক্রান্ত হলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শ্বাসতন্ত্র, মস্তিষ্ক, পরিপাকতন্ত্রের রোগ এবং টিউমারের মতো সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। এসব কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে, তাই একে মরণব্যাধি বলা হয়।

ছোট প্রশ্নে প্রস্তুতি কাজে লাগাতে চাইলে—প্রতিটি উত্তরের মূল সংজ্ঞা ও ‘কারণ’ অংশটা আগে মনে রাখুন। রাফেজ/আঁশযুক্ত খাবার, সুষম খাদ্য, দুধ, বিশ্রাম এবং এআইডস—এই ধারাগুলো একইভাবে লিখতে পারলেই সংক্ষিপ্ত নম্বর তোলা সহজ হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons