GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / টাঙ্গাইলে এসএসসিতে ৬ প্রতিষ্ঠানের কেউই পাস করেনি

টাঙ্গাইলে এসএসসিতে ৬ প্রতিষ্ঠানের কেউই পাস করেনি

টাঙ্গাইলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গ

টাঙ্গাইলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শূন্য পাসের নজির দেখা গেছে। জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি—যা অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধাক্কা।

৬ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, অবহেলার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গ

ফল প্রকাশের পর সন্ধ্যায় জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। শিক্ষাবিদদের পর্যবেক্ষণ—শিক্ষকদের অবহেলা এবং নিয়মিত ক্লাস না হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে প্রস্তুতি ব্যাহত হলো।

যে স্কুল ও মাদরাসাগুলোতে কেউ পাস করেনি

ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও বিএম দাখিল মাদরাসা, নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও আগাডিঘুলিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর বহুমুখী দাখিল মাদরাসা এবং ঘাটাইল উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায়—কারও পাস হয়নি।

জেলায় মোট পাসের চিত্র কিছুটা আলাদা

জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, টাঙ্গাইলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯.০৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৭৩ শিক্ষার্থী। ৪৬ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৭ হাজার ৪৭৬ জন। এর মধ্যে এসএসসিতে পাশের হার ৬১.৩৮ শতাংশ, দাখিলে ৫২.৮৩ শতাংশ, এসএসসি ভোকেশনালে ৫১.৮২ এবং দাখিল ভোকেশনালে ২৮.৫৭ শতাংশ।

বিশেষ মনিটরিং ও কারণ দর্শানোর নোটিশ

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়দার বলছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। যেসব মাদরাসাসহ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান আশঙ্কাজনকভাবে নেমে গেছে, সেগুলোকে বিশেষ প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদকে কারণ দর্শানোর প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্দেশ্য একটাই—ফল বিপর্যয়ের মূল কারণ শনাক্ত করা।

প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্য বার্তা কী

যারা বিদেশে থেকে পরিবারের লেখাপড়ার ব্যয় জোগান দেন, তাদের কাছে এই ধরনের ফল মানে শুধু পরীক্ষা ব্যর্থ নয়—ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, মানসিক চাপ এবং পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের অনিশ্চয়তাও। তাই দ্রুত জবাবদিহি ও প্রস্তুতির নতুন উদ্যোগ এখন সবচেয়ে জরুরি।

প্রশ্নোত্তর

শূন্য পাস হওয়া ৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোন কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে?
স্কুল ও দাখিল মাদরাসা—দুটো ধরনের প্রতিষ্ঠানই আছে।

জেলা শিক্ষা অফিস কী পদক্ষেপ নেবে?
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনার পেছনে কী কারণ বলা হচ্ছে?
শিক্ষকদের অবহেলা এবং নিয়মিত ক্লাস না হওয়াকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons