GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা অগ্রাধিকার ইউজিসি

তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা অগ্রাধিকার ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাষা শিক্ষার ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার

বাংলা আর ইংরেজির বাইরে তৃতীয় ভাষা শিখতে নতুন সুযোগ আসছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে। ইউজিসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষাক্রমে চীনা ভাষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং এর জন্য দেশের ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার উদ্যোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাষা শিক্ষার ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার

ইউজিসির পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে এ কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার আছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্র স্থাপন করে মোট ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করা হবে।

চীনা ভাষায় জোর দেওয়ার কারণ

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন সহযোগিতা দ্রুত বাড়ছে। এই বাস্তবতায় ভাষাগত দক্ষতা সহযোগিতার পথে বাধা হতে না দিয়ে কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্যেই চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দক্ষ শিক্ষক ঘাটতি কাটাতে চীনের সহায়তা

চীনা ভাষা শেখানোর জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের ঘাটতির কথাও উঠে আসে। এ জায়গায় চীন সহযোগিতা করলে বাংলাদেশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে প্রশিক্ষকদের চীনে পাঠিয়ে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরির কথাও বলা হয়।

শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন সংযোগ

সভায় আলোচনা হয়, চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলা ভাষা শিক্ষা চালুর উদ্যোগ হলে দুই দেশের শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, স্নাতকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা এবং পাঁচ বছর মেয়াদি উচ্চশিক্ষা রূপান্তর কর্মসূচির দিকেও কথা হয়।

ইন্টার্নশিপ, বৃত্তি ও যৌথ সহযোগিতার প্রসঙ্গ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে ইন্টার্নশিপ ও বৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ, এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা খাতে যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ও আলোচনায় আসে। চীনের প্রতিনিধিদল জানায়, তাদের গ্লোবাল টিচার্স ট্রেনিং প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশের শিক্ষকদের ভাষা দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ইন্টারন্যাশনাল চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ এডুকেশন সেন্টারের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আছে।

প্রবাসী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভাষাজ্ঞান এখন চাকরি, ইন্টার্নশিপ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগে বড় পার্থক্য গড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চীনা ভাষা শিখতে পারলে ভবিষ্যতের পথ আরও খোলা থাকবে।

প্রশ্ন-উত্তর

কখন থেকে কর্মসূচি শুরু হতে পারে?
ইউজিসি বলেছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু হবে।

ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার কতটি হবে?
পর্যায়ক্রমে মোট ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেন্টার করার উদ্যোগ রয়েছে।

তৃতীয় ভাষা হিসেবে কেন চীনা ভাষায় জোর?
বাংলাদেশ-চীনের সহযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে যোগাযোগ ও দক্ষতা নিশ্চিত করতেই এই অগ্রাধিকার।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons