দক্ষ কর্মী তৈরি করতে শুধু ডিগ্রি নয়—বাস্তব কাজ শেখানোর শিক্ষাকেই সামনে আনতে হবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেছেন, দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই।
কাজভিত্তিক শিক্ষাকেই পথ হিসেবে দেখছেন মন্ত্রী

মন্ত্রী মনে করেন, দেশের উৎপাদন, সেবা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সফলভাবে অংশ নিতে হলে দক্ষতা অর্জন জরুরি। আর সে দক্ষতা গড়ে ওঠে এমন শিক্ষার মাধ্যমে, যা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে শেখাকে যুক্ত করে।
কেন কর্মমুখী শিক্ষা দরকার
কর্মমুখী শিক্ষার মূল লক্ষ্য—শিক্ষার্থীকে শেখানোর পাশাপাশি কাজে লাগার মতো যোগ্যতা দেওয়া। ফলে প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি পাওয়া সহজ হয় এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গতি আসে। প্রবাসী পরিবারগুলোর ক্ষেত্রেও বিষয়টি সরাসরি প্রভাব ফেলে, কারণ দক্ষতার মান বাড়লে দেশের ভেতরে কর্মসংস্থান যেমন বাড়ে, তেমনি বিদেশ যাওয়ার আগে প্রস্তুতিও শক্ত হয়।
দক্ষতা মানে—প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রস্তুতি
এ ধরনের শিক্ষায় শুধু তত্ত্ব নয়, বাস্তব দক্ষতার অনুশীলন থাকে—যা শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাকে মিলিয়ে দেয়। বাজার বদলালে বা নতুন প্রযুক্তি এলে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাও তৈরি হয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের চোখেও গুরুত্ব
মধ্যপ্রাচ্যে কর্মস্থল হোক বা অন্যান্য দেশে—অনেক ক্ষেত্রেই নিয়োগকর্তারা কর্মদক্ষতা যাচাই করে থাকেন। তাই নিজ দেশে থেকেই কাজভিত্তিক দক্ষতা গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সুবিধা আসে।
মন্ত্রী যে বার্তাটি দিয়েছেন, তা মূলত কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চাহিদাকে শিক্ষার অংশ করে তোলার আহ্বান। দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের পথে কর্মমুখী শিক্ষাকেই বড় হাতিয়ার বলেই দেখা হচ্ছে।
প্রশ্নোত্তর
কর্মমুখী শিক্ষা বলতে কী বোঝায়?
যে শিক্ষা বাস্তব কাজের অনুশীলনকে গুরুত্ব দেয় এবং শেখা দক্ষতা দিয়ে কাজে লাগার সুযোগ তৈরি করে।
এটা চাকরি পেতে কীভাবে সাহায্য করে?
চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা গড়ে ওঠে বলে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
প্রবাসী পরিবারের জন্য কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?
নিজ দেশে দক্ষতা তৈরি হলে বিদেশে কাজের প্রস্তুতিও শক্ত হয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহজ হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









