লিওনেল মেসির চার গোলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সিএফ মন্ট্রিয়লকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ইন্টার মিয়ামি।
এই জয়ের মাধ্যমে ক্লাব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে মিয়ামি।
একই সঙ্গে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচের জয়হীন ধারারও অবসান হয়েছে।
ম্যাচ শুরুর আগে ইন্টার মিয়ামির কোচিং পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।
দলের কোনো স্থায়ী কোচ তখন মাঠের দায়িত্বে ছিলেন না। তবে মাঠে মেসির অসাধারণ পারফরম্যান্স মিয়ামির কাজ অনেকটাই সহজ করে দেয়।
৪০ মিনিটে মেসির প্রথম গোল আসে ফ্রি কিক থেকে।
তার নেওয়া শট গোলরক্ষকের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন আর্জেন্টাইন তারকা।
৫২ মিনিটে একাই বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।
এরপর গোলের পাশাপাশি সতীর্থকেও গোল করান মেসি। তার সহায়তায় গোল করেন উরুগুয়ের তারকা লুইস সুয়ারেজ।
ম্যাচ শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে মেসি আবার গোলের দেখা পান।
গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে আলতো করে বল জালে পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
তবে তিন গোলেই থামেননি মেসি।
ইনজুরি সময়ে আরও একটি ফ্রি কিক থেকে গোল করেন তিনি।
বল জালের কোণায় পাঠিয়ে ম্যাচে নিজের চতুর্থ গোল পূর্ণ করেন।
মেসির ক্যারিয়ারে এটি অষ্টমবারের মতো এক ম্যাচে চার বা তার বেশি গোল করার ঘটনা।
ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর এটাই তার প্রথম চার গোলের ম্যাচ।
সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বার্সেলোনার হয়ে এক ম্যাচে চার গোল করেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল স্প্যানিশ ক্লাব এইবার।
এই ম্যাচের পর এমএলএসের গোলদাতার তালিকায়ও শীর্ষে উঠে এসেছেন মেসি।
১৯ ম্যাচে তার গোল এখন ১৮টি। তার ঠিক পরেই রয়েছেন এফসি ডালাসের পিটার মুসা।
২৫ জুলাইয়ের পর এমএলএসে এটি ইন্টার মিয়ামির প্রথম জয়।
এর আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি দলটি।
সেই জয়হীন ধারায় লিগস কাপের ম্যাচও ছিল।
ম্যাচটিতে ইন্টার মিয়ামির অন্তর্বর্তী কোচ গিয়ের্মো ওয়োস মাঠের পাশে থাকতে পারেননি। নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি ডাগআউটে ছিলেন না।
এরই মধ্যে মিয়ামি তাদের নতুন স্থায়ী কোচ হিসেবে ক্রিস্টিয়ান ‘কিলি’ গঞ্জালেজের নাম ঘোষণা করেছে।
তবে কাজের অনুমতিপত্র না পাওয়ায় তিনি এখনো দায়িত্ব নিতে পারেননি।
তাই সহকারী কোচ রাফায়েল পেরেজ মাঠের পাশ থেকে দল পরিচালনা করেন।
ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান তারকা কাসেমিরোও গোলের দেখা পান।
গ্রীষ্মকালীন দলবদলে মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর এটি তার প্রথম গোল।
৮৯ মিনিটে মিয়ামির হয়ে আরও একটি গোল করেন ১৮ বছর বয়সী আলেকজান্ডার শ।
এই জয়ের পর ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে ইন্টার মিয়ামি।
শীর্ষে রয়েছে ন্যাশভিল এসসি। অন্যদিকে সিএফ মন্ট্রিয়ল অবস্থান করছে ১৪ নম্বরে।









