GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / দেশে শেখ হাসিনার কত সম্পদ? হলফনামায় দেওয়া তথ্য জানলে চমকে উঠবেন

দেশে শেখ হাসিনার কত সম্পদ? হলফনামায় দেওয়া তথ্য জানলে চমকে উঠবেন

দেশে শেখ হাসিনার কত সম্পদ হলফনামায় দেওয়া তথ্য জানলে চমকে উঠবেন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনার নামে দেশে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন সেই সম্পদ কীভাবে বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, তা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া ঠিক করার কাজ চলছে। এর মধ্যেই আলোচনায় এসেছে শেখ হাসিনার নামে দেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ।

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় শেখ হাসিনা নিজের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়েছিলেন।

নগদ ও ব্যাংকে কত টাকা ছিল?

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনার নিজের হাতে নগদ ছিল সাড়ে ২৮ হাজার টাকা

এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার জমা ছিল প্রায় ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা

তার নামে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং ৫৫ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) থাকার তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছিল।

ছিল তিনটি মোটরগাড়ি

শেখ হাসিনা হলফনামায় উপহার থেকে পাওয়া গাড়িসহ মোট তিনটি মোটরগাড়ির তথ্য দিয়েছিলেন।

তবে এসব গাড়ির মূল্য কত, তা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি।

এ ছাড়া তার নামে ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

আসবাবপত্র ও কৃষিজমিও রয়েছে

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নামে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ছিল।

এ ছাড়া তার মালিকানায় রয়েছে ১৫ দশমিক ৩ বিঘা কৃষিজমি। এসব জমির অবস্থান টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজীপুর ও রংপুরে।

জমির ক্রয়মূল্য হিসেবে হলফনামায় ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছিল।

সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আইন বা বিধিতে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধানও রয়েছে।

তবে সম্পদ কী প্রক্রিয়ায় বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সাধারণ আইনের আলোকে প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলে আগে দেওয়া রায়ের ভিত্তিতেই সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

Social Icons