GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / দেশ / বগুড়ার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, বিনার জাত ও প্রযুক্তি নিয়ে কর্মশালা

বগুড়ার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, বিনার জাত ও প্রযুক্তি নিয়ে কর্মশালা

বগুড়া অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে বিনার আধুনিক জাত ও প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বগুড়ায় একটি আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালার শিরোনাম ছিল ‘বগুড়া অঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তিসমূহ বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণ’।

গতকাল সকাল ৯টায় বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) ঈশ্বরদী উপকেন্দ্র এ কর্মশালার আয়োজন করে।

বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প এতে অর্থায়ন করে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বগুড়া ও রাজশাহী অঞ্চল সার্বিক সহযোগিতা করে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াদুদ।

প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য অধ্যাপক এ এস এম গোলাম হাফিজ

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি বিজ্ঞানীদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

বগুড়া অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী জাত দ্রুত মাঠে ছড়িয়ে দিতে হবে।

বিশেষ করে বিনার উচ্চফলনশীল জাত ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি বলেন, এসব প্রযুক্তি বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে যুক্ত করা গেলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে।

একই সঙ্গে বগুড়া অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

কর্মশালায় গেস্ট অব অনার ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক

স্বাগত বক্তব্য দেন বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার।

কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়, বিনা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

এতে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিনা ধানের সফল চাষিরাও অংশ নেন

স্থানীয় সারের ডিলার এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

মুক্ত আলোচনায় কৃষকেরা তাদের চাষাবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তারা বিনার স্বল্পমেয়াদি ও উচ্চফলনশীল ধান চাষের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

কৃষকেরা বীজ প্রাপ্তি আরও সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেন।

কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে বিনার প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছানো জরুরি।

এতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি টেকসই শস্যবিন্যাস নিশ্চিত করা সম্ভব হবে

Social Icons