GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / প্রথম পাতা / রাইড কেনার দরপত্রই চূড়ান্ত হয়নি, ৭ বছর ধরে বন্ধ শিশুপার্ক

রাইড কেনার দরপত্রই চূড়ান্ত হয়নি, ৭ বছর ধরে বন্ধ শিশুপার্ক

রাইড কেনার দরপত্রই চূড়ান্ত হয়নি, ৭ বছর ধরে বন্ধ শিশুপার্ক

সংস্কার ও আধুনিকায়নের নামে রাজধানীর শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্কটি টানা ৭ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে।

দীর্ঘ সময় পার হলেও পার্কটি চালুর বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। পূর্ত কাজের অগ্রগতি হলেও রাইড কেনার দরপত্র দুবার বাতিল হয়েছে। এখন তৃতীয়বার দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে।

২০১৯ সালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পার্কটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২০২০ সালে নতুন করে স্বতন্ত্র প্রকল্প নেওয়া হয়।

২০২৩ সালের আগস্টে একনেকের সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। প্রকল্পটির আকার ৬০৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এর বড় একটি অংশ ব্যয় হওয়ার কথা রয়েছে পার্কের জন্য ১৫টি রাইড কেনা ও স্থাপনে

প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি প্রায় ৪০ শতাংশ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রকল্প পরিচালক সাইফুল ইসলাম জয় জানিয়েছেন, পূর্ত কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ হলেও রাইড কেনার দরপত্র দুবার বাতিল হয়েছে। তৃতীয়বার দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। দরপত্র প্রক্রিয়া ঠিকভাবে সম্পন্ন হলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার আশা রয়েছে।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি পার্কের কাজের ওপর জোর তদারকি করছেন। তার আশা, ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে পার্কটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, শিশুদের মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই দীর্ঘদিন বন্ধ না রেখে দ্রুত পার্কটির আধুনিকায়ন শেষ করে শিশুদের জন্য খুলে দেওয়া প্রয়োজন।

প্রায় ১৫ একর জায়গার ওপর ১৯৭৯ সালে শাহবাগে শিশুপার্কটি স্থাপন করা হয়। একসময় খেলনা ট্রেন, নাগরদোলা ও মেরি-গো-রাউন্ডের কারণে এটি ঢাকার শিশুদের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র ছিল।

তবে সংস্কারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে এখন সেখানে নেই শিশুদের সেই কোলাহল। পার্কের পুরোনো রাইডগুলোরও আর অস্তিত্ব নেই। ফলে দ্রুত পার্কটি চালুর অপেক্ষায় রয়েছে নগরীর শিশুরা ও তাদের অভিভাবকরা।

Social Icons