প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও এই ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ—কারণ জ্বালানি সংকট আর নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে প্রভাব পড়ে সারা দেশের জীবনযাত্রা ও পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসাবের ওপর। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা এসেছে।
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের ঘোষণা

১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানান, জনগণের ১১ দফা দাবি মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি। তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য—দাবিতে জোরালো অবস্থান
বক্তব্যে বলা হয়, জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জনভোগান্তি বাড়ছে। এসব সমস্যার সমাধানে সরকারের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ সময় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবিও উচ্চারিত হয়। এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করা হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচি বাধা পেলে দ্বিগুণ শক্তি
লংমার্চ নিয়ে ঘোষণায় বলা হয়, জনগণের দাবি আদায়ের এ কর্মসূচিতে কোনো বাধা দেওয়া হলে তা দ্বিগুণ শক্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাবে। অর্থাৎ, কর্মসূচি ঘিরে সরকারের তরফ থেকে কোনো বাধা এলে বিরোধী পক্ষ সেটিকে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
আরও কর্মসূচি—কবে, কোথায়
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের লংমার্চ ছাড়াও আরও কয়েকটি পর্যায়ের কর্মসূচির কথাও জানানো হয়। জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে রেলপথে যাত্রা হবে। পাশাপাশি ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রবাসী পরিবারের জন্য বার্তা কী
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ আর জ্বালানি সংকট কমানোর দাবি—এটাই প্রবাসীদের বড় বাস্তবতা। দেশে গ্যাস-বিদ্যুৎ ঘাটতি বা দাম বাড়লে সেখানকার চাকরি, ব্যবসা এবং পরিবারের দৈনন্দিন খরচেও চাপ পড়ে। তাই এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হয়, সেটি প্রবাসী আয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কবে হবে?
উত্তর: ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রশ্ন: মূল দাবিগুলো কী কী?
উত্তর: বক্তব্যে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারসহ ১১ দফা দাবির কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন: পরবর্তী কর্মসূচি আছে কি?
উত্তর: ঘোষণা অনুযায়ী রেলপথে আরও কয়েকটি রুটে যাত্রা এবং শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশের কথাও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









