GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / বাংলা কিউআরে জালনোট ঝুঁকি কমবে গভর্নর

বাংলা কিউআরে জালনোট ঝুঁকি কমবে গভর্নর

বাংলা কিউআর দিয়ে ডিজিটাল পেমেন্টের কর্মশালা ও গ্রাহক-মার্চেন্ট লেনদেন

ডিজিটাল পেমেন্ট সত্যিকারেরভাবে চালু হলে জালনোটের ঝুঁকি কমবে—বাংলা কিউআর নিয়ে কর্মশালায় এমন আশ্বাস দিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। প্রবাসীসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে নিরাপত্তা আর স্বচ্ছতার পথেই এগোচ্ছে উদ্যোগটি।

ডিজিটাল হলে কমবে জালনোটের আশঙ্কা

বাংলা কিউআর দিয়ে ডিজিটাল পেমেন্টের কর্মশালা ও গ্রাহক-মার্চেন্ট লেনদেন

শনিবার নগরীর একটি হোটেলে বাংলা কিউআর কোড লেনদেন বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে পেমেন্ট নিশ্চিত করা গেলে জালনোট-নির্ভর ঝুঁকি এবং নানা ধরনের অনিয়মের সুযোগও কমে আসবে। তিনি বলেন, নগদ টাকার লেনদেনের ওপর নির্ভরতা যত কমবে, জালনোটের ব্যবসাও ততটাই কঠিন হবে।

লক্ষ্য: মাসে এক কোটি লেনদেন

গভর্নর জানান, বর্তমানে মাসে এক কোটি লেনদেন হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে দৈনিক এক কোটি লেনদেনের লক্ষ্যমাত্রা ধরে কাজ চলছে। তবে এগোতে কিছু প্রতিবন্ধকতাও আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার বক্তব্যে উঠে আসে—বাটন ফোন ব্যবহার করেন এমন মানুষের বড় একটি অংশ রয়েছে। পাশাপাশি সবার হাতে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট ও ইন্টারনেট সুবিধা না থাকায় ডিজিটাল পেমেন্টে অংশগ্রহণ ধীর হতে পারে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তুলনামূল্যে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

বাংলা কিউআর: মার্চেন্ট ও গ্রাহক সচেতনতার কাজ

কর্মশালায় বাংলা কিউআর ব্যবহারকারী মার্চেন্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্য জোর করে বলা হয়। অন্তত ২০ জন নারী মার্চেন্টসহ প্রায় ১২০ জন অংশ নেন। বিশেষভাবে আলোচনা হয়—সাধারণ গ্রাহক ও মার্চেন্টদের মধ্যে বাংলা কিউআরের সুবিধা এবং সঠিকভাবে ব্যবহার কীভাবে নিশ্চিত করা যায়।

ট্যাক্স-টু-জিডিপিতে ডিজিটাল লেনদেনের ভূমিকা

ডেপুটি গভর্নর বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিমূলক পেমেন্ট সিস্টেম প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাংলা কিউআরের গুরুত্বের কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেন ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন।

প্রবাসীদের জন্য কেন তা গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশে নগদ লেনদেন কমে ডিজিটাল পেমেন্ট বাড়লে পরিবারে টাকা পাঠানো থেকে শুরু করে বাজারের হিসাব—সব জায়গায় সুবিধা ও নিরাপত্তা বাড়ে। প্রবাসী বাংলাভাষীদের জন্যও এটা তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ স্বচ্ছ ডিজিটাল লেনদেন গড়ে উঠলে পাঠানো অর্থের ব্যবহার আরও সহজ ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

কর্মশালা কোন উদ্যোগের অংশ

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় পরিচালিত ‘ক্যাশলেস ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবেই চট্টগ্রামে বাংলা কিউআর নিয়ে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআরের মূল সুবিধা কী?
উত্তর: গ্রাহক ও মার্চেন্টের মধ্যে সহজে ডিজিটাল পেমেন্ট চালুর মাধ্যমে লেনদেন দ্রুত ও সুবিধাজনক করা।

প্রশ্ন: কেন জালনোটের ঝুঁকি কমার কথা বলা হলো?
উত্তর: নগদ নির্ভরতা কমিয়ে ডিজিটাল পেমেন্ট বাড়ালে জালনোটভিত্তিক অনিয়মের সুযোগও কমে।

প্রশ্ন: চ্যালেঞ্জটা কোথায়?
উত্তর: বাটন ফোন ব্যবহার ও পর্যাপ্ত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ও ইন্টারনেট সুবিধার ঘাটতি।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons