টেকনাফের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সৃজিত ৪০ হেক্টরের নতুন বাগান ঘুরে দেখেছেন বন প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় তিনি নিজ হাতে চালতা গাছের চারা রোপণ করেন—পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে প্রবাসীদের জন্যও এটি দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তির বার্তা।
রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে ৪০ হেক্টর বাগান

রোববার দুপুর ১টার দিকে টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে সৃজিত ৪০ হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন বন প্রতিমন্ত্রী। এসময় বাগানে একটি চালতা গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি
পরিদর্শনকালে বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তাসহ টেকনাফ-উখিয়ার সহকারী বন সংরক্ষক, টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিটের বিট কর্মকর্তা, পুলিশ, ফরেস্ট গার্ড ও বন পাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বনভূমিতে ব্যাপক চারা রোপণ
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই বনভূমিতে বিপুল সংখ্যক গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদি সৃজিত এসব বাগানে ফলজ, বনজ ও ওষুধিসহ নানা ধরনের গাছ রয়েছে।
ফল—পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ টিকে থাকার আশা
এই ধরনের বৃক্ষরোপণ শুধু সবুজায়নের কাজ নয়; টেকসই বন ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য ধরে রাখতে সহায়ক। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ—কারণ জলবায়ু সহনশীলতা, খাদ্য ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে বন সংরক্ষণ সরাসরি জড়িত।
গাছের ধরন, পরিপালন ও রোপণ-পরবর্তী যত্ন ঠিকভাবে চললে এ উদ্যোগ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উপকার বয়ে আনবে।
প্রশ্ন-উত্তর
চালতা গাছের চারা কোথায় রোপণ করা হয়?
টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে সৃজিত বাগানে।
নতুন বাগানের পরিমাণ কত?
৪০ হেক্টর।
এ উদ্যোগে কী ধরনের গাছের কথা বলা হয়েছে?
ফলজ, বনজ ও ওষুধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের উপস্থিতির কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









