মোংলা নদীর ওপর ১০ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা বলেছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এতে মোংলার যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্ত হবে বলে তিনি জানান, আর শিল্প ও বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়বে।
দ্রুত সেতু বাস্তবায়নের বার্তা

রোববার বিকেলে মোংলার স্থায়ী বন্দর বাসস্ট্যান্ডে পৌর বিএনপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, মোংলা নদীর ওপর ১০ম মৈত্রী সেতু দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। সেতু চালু হলে এলাকার সংযোগ আরও সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক গতি বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।
মোংলায় গ্যাস-বিদ্যুৎ ও শিল্পের রূপরেখা
মন্ত্রী মোংলায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্টে এলএনজি স্টেশন করা হবে। সেখান থেকে ২৩ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ করে মোংলায় গ্যাস আনা হবে, এরপর সেই গ্যাস ব্যবহার করে মোংলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে যেতে উদ্যোগ
মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে ছাড়িয়ে যেতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে মোংলা বন্দরে নতুন জেটি নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। সেখানে কোল্ড স্টোরেজ সুবিধা থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এসব উদ্যোগকে কেন্দ্র করেই মোংলাকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য তুলে ধরা হয়।
প্রবাসী ও স্থানীয় মানুষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
মোংলায় বন্দর, জেটি, কোল্ড স্টোরেজ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো কাজ এগোলে কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ বাড়ে—এটাই প্রবাসী পরিবারগুলোর দৈনন্দিন প্রত্যাশার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সেতু হলে পণ্য ও মানুষের চলাচল আরও কার্যকর হয়, ফলে শিল্পের সক্ষমতাও শক্ত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত ছিলেন
মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলীর আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: জাগোনিউজ২৪.কম









