GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / ঢাবি শিক্ষক তাশরিককে সাময়িক বরখাস্ত অবৈধ নয় রুল

ঢাবি শিক্ষক তাশরিককে সাময়িক বরখাস্ত অবৈধ নয় রুল

হাইকোর্ট রুল, ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত প্রসঙ্গের প্রতীকী ছবি

হাইকোর্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জে রুল দিয়েছেন। ফলে—বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তটা আইনগতভাবে ঠিক ছিল কি না, তা নির্ধারণে এখন আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষা।

কেন সাময়িক বরখাস্ত করা হয়

হাইকোর্ট রুল, ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত প্রসঙ্গের প্রতীকী ছবি

ঢাবি প্রশাসনের চিঠিতে বলা হয়, তাশরিক-ই-হাবিবের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ, একাডেমিক কমিটির সব সদস্যের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে অনাগ্রহ প্রকাশ এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে ২২ জুন থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রিটে কী চাওয়া হয়েছে

সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তাশরিক-ই-হাবিব হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল দেন। এই রুলের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়েছে—উল্লিখিত চিঠির ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না।

চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব

হাইকোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন। এর পর মামলার অগ্রগতি নিয়ে আদালতে আরও শুনানি হবে।

প্রেক্ষাপট: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে ‘ভাইরাল’ হওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসেন তাশরিক-ই-হাবিব—এমন বিষয় সামনে আসে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের ভিত্তি হিসেবে আর্থিক অনিয়ম, একাডেমিক কার্যক্রমবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগসহ নানা বিষয় উল্লেখ রয়েছে।

প্রবাসী পাঠকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

এ ধরনের সিদ্ধান্ত সরাসরি চাকরি, মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের ঝুঁকির বিষয়। হাইকোর্টের রুলের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি যাচাইয়ের পথ তৈরি হলো—যা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার প্রশ্নেও প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রশ্ন-উত্তর

হাইকোর্ট কোন বিষয়ে রুল দিয়েছেন?
ঢাবি শিক্ষক তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালত রুল দিয়েছেন।

কত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে?
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তের কারণ হিসেবে কী বলা হয়েছে?
আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ, একাডেমিক কাজ নিয়ে সমস্যা এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত—এগুলো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons