GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / খেলা / ফুটবল / ‘পেলে’ নামটি কীভাবে এলো, জানলে অবাক হবেন ফুটবলপ্রেমীরা

‘পেলে’ নামটি কীভাবে এলো, জানলে অবাক হবেন ফুটবলপ্রেমীরা

এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো নামটি হয়তো অনেকের কাছে অপরিচিত। কিন্তু ‘পেলে’ নামটি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এক কিংবদন্তির পরিচয়। ব্রাজিলের এই ফুটবল সম্রাট তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি নিজের অসাধারণ প্রতিভায় সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি পান। তবে তার বিখ্যাত ‘পেলে’ নামটি কীভাবে এলো, তার পেছনে রয়েছে শৈশবের একটি মজার ঘটনা।

পেলে জন্মেছিলেন ব্রাজিলের ত্রেস কোরাসোয়েস শহরে। তার পুরো নাম এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো। তার বাবা ডনদিনহো, যার আসল নাম জোয়াও রামোস দো নাসিমেন্তো, ছিলেন ফ্লুমিনেন্সের ফুটবলার। মা ছিলেন সেলেস্তে আরান্তেস।

পেলের প্রথম নামটি বিজ্ঞানী টমাস এডিসনের নাম অনুসরণ করে ‘এডিসন’ রাখা হয়েছিল। পরে তার বাবা-মা নামটি পরিবর্তন করে ‘এডসন’ করেন। তবে জন্মসনদে টাইপিং ভুলের কারণে অনেক নথিতে এখনো ‘এডিসন’ নামটি দেখা যায়।

তবে ‘পেলে’ নামটির সঙ্গে এডিসনের কোনো সম্পর্ক নেই। ছোটবেলায় স্কুলে পেলে তার প্রিয় এক গোলরক্ষকের নাম সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারতেন না। ওই গোলরক্ষকের নাম ছিল ‘বিলে’। তিনি পেলের বাবার সতীর্থ ছিলেন এবং ভাস্কো দা গামার হয়ে খেলতেন।

পেলে ‘বিলে’ নামটি ভুল করে ‘পেলে’ উচ্চারণ করতেন। পরে সেই ভুল উচ্চারণই তার ডাকনাম হয়ে যায়। বন্ধুরাও তাকে ‘পেলে’ নামে ডাকতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে নামটি স্থায়ী হয়ে যায়।

পেলে নিজেও তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, এই নামের কোনো অর্থ তিনি জানতেন না। এমনকি শৈশবের বন্ধুরাও এর অর্থ জানত না। তবু সেই ভুল উচ্চারণই পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে তার পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে।

মাত্র ১৭ বছর ২৩৯ দিন বয়সে বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল করে ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতা হয়েছিলেন পেলে। এছাড়া তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব রয়েছে তার ক্যারিয়ারে।

এভাবেই এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো নামের এক ব্রাজিলীয় শিশু হয়ে উঠেছিলেন ফুটবল বিশ্বের অমর কিংবদন্তি পেলে

Social Icons