GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / লাইফ স্টাইল / অফিসের এসিরুমে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে বিব্রত?

অফিসের এসিরুমে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে বিব্রত?

ভ্যাপসা গরমে বাইরে বের হলে শরীর ঘেমে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে ঢোকার পর অনেকের শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। শুধু বডি স্প্রে বা পারফিউম ব্যবহার করে এই সমস্যা সবসময় দূর করা যায় না। বরং কিছু ক্ষেত্রে ঘামের সঙ্গে পারফিউমের গন্ধ মিশে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

শরীরে ঘামের দুর্গন্ধের অন্যতম কারণ ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া। শরীর ঘামলে এসব ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। তাই গরমে বাইরে বের হওয়ার আগে ও ঘেমে যাওয়ার পর কিছু অভ্যাস মেনে চললে দুর্গন্ধ কমানো সম্ভব।

অফিসে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি

অফিসে যাওয়ার সময় সম্ভব হলে অতিরিক্ত এক সেট জামা সঙ্গে রাখা যেতে পারে। অফিসে পৌঁছে ওয়াশরুমে গিয়ে শরীর পরিষ্কার করে ঘামে ভেজা জামা পরিবর্তন করা যেতে পারে।

গরমের সময় পলিয়েস্টার বা সিন্থেটিক কাপড়ের পরিবর্তে শতভাগ সুতি বা লিনেনের পোশাক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হালকা রঙের ও ঢিলেঢালা পোশাকও বেছে নেওয়া যেতে পারে।

জামার নিচে পাতলা সুতি গেঞ্জি বা ইনারওয়্যার পরলে শরীরের ঘাম শোষণ হতে পারে। এতে মূল জামায় সরাসরি ঘামের দাগ ও গন্ধ ছড়ানোর প্রবণতা কমতে পারে।

গরমে বাইরে বের হওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে হাতে কিছুটা সময় নিয়ে বের হওয়াও উপকারী। কারণ দ্রুত হাঁটাচলা করলে শরীরে বেশি ঘাম হতে পারে। পাশাপাশি বাইরে চলাচলের সময় ছাতা ব্যবহার করলে রোদ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

ঘেমে যাওয়ার পর যা করবেন

ব্যাগে ওয়েট টিস্যু বা ভেজা রুমাল রাখা যেতে পারে। অফিসে পৌঁছে শরীরের ঘাম ভালোভাবে মুছে নেওয়া উচিত। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করলেও শরীর পরিষ্কার রাখা সম্ভব।

তবে ঘামে ভেজা শরীরে সরাসরি বডি স্প্রে বা পারফিউম ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে ঘামের গন্ধের সঙ্গে সুগন্ধি মিশে আরও অস্বস্তিকর গন্ধ তৈরি হতে পারে। শরীর ভালোভাবে মুছে শুকিয়ে নেওয়ার পর পারফিউম বা বডি স্প্রে ব্যবহার করা ভালো।

দীর্ঘমেয়াদে ঘামের সমস্যা কমাতে

শরীরের ঘাম কমাতে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট রোল-অন ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিবেদনে রাতে ঘুমানোর আগে অথবা সকালে গোসলের পর বগলে এটি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিদিন গোসলের সময় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কমাতে সহায়তা করতে পারে।

পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত পরিমিত পানি পান করলে ঘামের দুর্গন্ধ কম হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Social Icons