GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / লাইফ স্টাইল / গাল-থুতনিতে কালচে ছোপ কি লিভারের সমস্যার লক্ষণ?

গাল-থুতনিতে কালচে ছোপ কি লিভারের সমস্যার লক্ষণ?

গাল-থুতনিতে কালচে ছোপ কি লিভারের সমস্যার লক্ষণ

গাল ও থুতনিতে কালচে ছোপ, ব্রণ কিংবা ত্বকের রঙের পরিবর্তন বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এসব লক্ষণ সবসময় লিভারের রোগের প্রমাণ নয়। তবে শরীরের কিছু সমস্যার সঙ্গে এ ধরনের ত্বকের পরিবর্তনের সম্পর্ক থাকতে পারে।

বিশেষ করে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ত্বকের অতিরিক্ত মেলানিন তৈরি, ব্রণ বা কিছু লিভার-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে মুখে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

চোখ ও ত্বক হলদে হয়ে যাওয়া

লিভারের সমস্যায় মুখ ও চোখে হলদেটে ভাব দেখা দিতে পারে। লিভার ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে চোখের সাদা অংশ ও ত্বকে হলুদাভ রঙ দেখা দিতে পারে।

তবে শুধু ত্বকের রঙ পরিবর্তন দেখে লিভারের রোগ নিশ্চিত করা যায় না। এ ধরনের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

মুখে স্পাইডার অ্যানজিওমা

গাল, নাকের পাশ বা থুতনিতে সূক্ষ্ম লাল রক্তনালির জালের মতো দাগ দেখা যেতে পারে। একে স্পাইডার অ্যানজিওমা বলা হয়।

এটি বিভিন্ন কারণেই হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে লিভারের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে। তাই নতুন করে এ ধরনের দাগ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

গালে কালচে দাগ

গালে বা থুতনিতে কালচে ছোপ পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে হাইপারপিগমেন্টেশন। ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এমন দাগ তৈরি হতে পারে।

সূর্যের অতিরিক্ত আলো, হরমোনের পরিবর্তন, ব্রণের পরের দাগসহ বিভিন্ন কারণেও মুখে কালচে ছোপ দেখা দিতে পারে। তাই শুধু এই লক্ষণকে লিভারের সমস্যার নির্দিষ্ট চিহ্ন হিসেবে ধরা ঠিক নয়।

থুতনি ও চোয়ালে ব্রণ

থুতনি ও চোয়ালের আশপাশে বারবার ব্রণ হওয়ার পেছনে হরমোনের পরিবর্তন ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে অ্যান্ড্রোজেনের প্রভাবে ত্বকের তেল উৎপাদন বাড়লে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

ব্রণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে, বারবার হলে বা চিকিৎসায় না কমলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

মুখের কালচে দাগ সবসময় গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। তবে এর সঙ্গে চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, পেট ফুলে যাওয়া, তীব্র চুলকানি বা অন্য কোনো নতুন উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

প্রয়োজনে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করতে পারেন।

Social Icons