স্মার্টওয়াচ এখন আর কেবল দৈনিক হাঁটার সংখ্যা বা ঘুমের সময় মাপার সাধারণ যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আধুনিক প্রযুক্তি ও সেন্সরের কল্যাণে এটি নিয়মিত হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ এবং একক-তার (সিঙ্গল-লিড) ইসিজি সম্পন্ন করতে সক্ষম। ফলে দৈনন্দিন জীবনের নানা কর্মকাণ্ডে হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ কেমন চলছে, ব্যবহারকারী সে বিষয়ে একটি প্রাথমিক ধারণা পেয়ে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনের (এএফ) মতো জটিলতার ক্ষেত্রে স্মার্টওয়াচ হৃদস্পন্দনের সময়গত ব্যবধান বা রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন সেন্সরের আলো দিয়ে মেপে অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ধরন চিহ্নিত করতে পারে। তবে এটি কোনোভাবেই চিকিৎসকের দেওয়া চূড়ান্ত রোগ নির্ণয়ের বিকল্প নয়।
শরীরের অতিরিক্ত নড়াচড়া, ঘড়ির বেল্ট ঢিলে থাকা কিংবা সাময়িক অতিরিক্ত পালসের কারণেও সেন্সরে ভুল বা বিভ্রান্তিকর সিগন্যাল তৈরি হতে পারে। ফলে স্মার্টওয়াচের কোনো সংকেতকে রোগের নিশ্চিত প্রমাণ না ধরে, বরং পরবর্তীতে ডাক্তারি পরীক্ষা করার একটি পূর্বসতর্কতা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
চিকিৎসাকেন্দ্রের বাইরে অবস্থানকালে হঠাৎ কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা হৃদযন্ত্রের ওঠানামা ঘটলে স্মার্টওয়াচে সংরক্ষিত সেই তথ্য অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের বিশ্লেষণ ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চমৎকারভাবে সাহায্য করে।
