এ বছর নোবেল সাহিত্য পুরস্কার কোনো চীনা বা ক্যারিবীয় নারী লেখকের হাতে উঠতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন সাহিত্য সমালোচকেরা। ঐতিহাসিকভাবে পুরুষ ও পশ্চিমা বিশ্বের লেখকদের আধিপত্য থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে আরও বৈচিত্র্য আনার তাগিদ থেকেই এমন সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
প্রতিবছরের মতো এবারও নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের কোনো প্রকাশ্য সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। সুইডিশ একাডেমির বিচারক প্যানেলের আলোচনা এবং মনোনীতদের তালিকা ৫০ বছর গোপন রাখার নিয়ম রয়েছে।
তবে আগামী বৃহস্পতিবার সুইডিশ একাডেমি স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় (গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১১টা) আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে।
সমালোচকদের মতে, সম্ভাব্য বিজয়ীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ৭৭ বছর বয়সী অ্যান্টিগুয়া-আমেরিকান লেখক জ্যামাইকা কিনকেইড। যিনি ক্যারিবীয় সংস্কৃতি, পরিচয়, ঔপনিবেশিকতা ও বর্ণবৈষম্য নিয়ে লেখার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। অন্যদিকে চীনের জনপ্রিয় পরীক্ষা-নিরীক্ষামূলক ধারার সাহিত্যিক কান শুয়ে-কেও প্রবল contender বা সম্ভাব্য বিজয়ী ধরা হচ্ছে, যার লেখার শৈলী ফ্রানৎস কাফকার সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তুলনা করা হয়।
সুইডেনের প্রভাবশালী দৈনিক ডাগেনস নিহেটার-এর সংস্কৃতি সম্পাদক বিওর্ন উইমান ও এক্সপ্রেসেন-এর সংস্কৃতিবিষয়ক সমালোচক ভিক্টর মালম দুজনেই কিনকেইডের পুরস্কার পাওয়ার জোর সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯০১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ১২২ জন নোবেলজয়ী লেখকের মধ্যে নারী মাত্র ১৮ জন। তা ছাড়া এশীয়, মধ্যপ্রাচ্য কিংবা আফ্রিকান ভাষার সাহিত্য সবসময়ই এখানে উপেক্ষিত থেকে গেছে। গত বছর হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই নোবেল পাওয়ায় এবার কোনো নারী সাহিত্যিকের হাতেই এই সম্মাননা ওঠার জোরালো ইঙ্গিত রয়েছে।









