স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাচ্ছিলেন না ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। শেষ পর্যন্ত তার নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের হস্তক্ষেপে তিনি নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ পৌর শহরের কলাবাগান পাড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন রাশেদ খাঁন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা মিশন আচার্যের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার জন্য তাকে আহ্বান জানান।
জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন মিশন আচার্য। কিন্তু স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তার নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার সমাধান হয় এবং মিশন আচার্য নিয়োগপত্র পান।









